
কুমিল্লার ইফতারির বাজারে বৈচিত্র্যময় ইফতারির সমাহার
কুমিল্লার মানুষের ইফতারির টেবিলে বদলে গেছে স্বাদ ও আয়োজনের ধরন। সেই পরিবর্তনের ছাপ দেখা যাচ্ছে এবারের রমজানের ইফতারির বাজারে।

কুমিল্লার মানুষের ইফতারির টেবিলে বদলে গেছে স্বাদ ও আয়োজনের ধরন। সেই পরিবর্তনের ছাপ দেখা যাচ্ছে এবারের রমজানের ইফতারির বাজারে।

যাদের জন্ম ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে, তারা ‘জেনারেশন জেড’ বা ‘জেন–জি’ হিসেবে পরিচিত।

রমজানে জীবিকার তাগিদে যাঁদের ইফতারের সময়ও রাস্তায় থাকতে হয়, তাঁদের জন্য খুলনা ফুড ব্যাংক ও খুলনা ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রতিদিন এমন আয়োজন করছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ ঘোষণা করার পর থেকেই ভক্তদের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। আর এবার সামনে এল বিয়ের কিছু বিশেষ আয়োজনের খবর।

জাতীয় নির্বাচনের পর ও সরকার গঠনের আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে ওই তিন কর্মকর্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ‘স্বৈরাচার’ বলে অভিহিত করেন।

গ্রামের মানুষের কাছে মাঠটি ছিল শুধু খেলাধুলার জায়গা নয়, এটি ছিল সামাজিক যোগাযোগের কেন্দ্র ও নতুন প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের দিকে টেনে নেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। স্কুল ছুটির পর কিশোরদের দৌড়ঝাঁপ, বড়দের আড্ডা, টুর্নামেন্ট ঘিরে উৎসব—সব মিলিয়ে মাঠটি ছিল জনজীবনের অংশ।

রমজানে পাড়ায় পাড়ায় গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পথচারী ও অভাবী মানুষের জন্য সাজিয়ে রাখা হয় ইফতারের বাক্স। একে বলা হয় ‘তাকাসুল’।

রংপুরের পীরগাছায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনকে কেন্দ্র করে হিজবুত তওহিদের আট নেতা-কর্মীর বসতবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের নিয়মিত আয়োজন ‘অদম্য মেধাবীদের সঙ্গে’। এই আয়োজনে আমরা সেই অদম্য মেধাবীদের সঙ্গে কথা বলি যিনি তার আর্থিক, সামাজিক ও পারিবারিক নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখন সফল হয়েছেন,

ভুয়া জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন নিয়ে মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকদের চার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ২৭ জানুয়ারি পাঠানো চিঠিতে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের কার্যক্রম আইন ও বিধির আলোকে সম্পাদন হচ্ছে কি না, তা তদারক, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, অসংগতি দূর করা ও টাস্কফোর্সের সভা নিয়মিত আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মসজিদের মুসল্লি ও খাদেমরা জানান, রোজায় ইফতারের আয়োজন এখানকার ঐতিহ্য। তবে বড় পরিসরে গণ-ইফতারের আয়োজন করা হচ্ছে ২০০১ সাল থেকে।

দরজিবাড়ি ঘুরে দেখা গেল, কোথাও ঢিলেঢালা পোশাক, কোথাও আবার প্যানেলওয়ালা সিল্ক কামিজ বানাচ্ছেন দরজিরা। এলাকাভেদে নকশায় নয়, দামেও আছে ভিন্নতা।