বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আগামী বছরের জানুয়ারির আগে দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা বাস্তবসম্মত হবে না বলে মনে করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা।

শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ব্যাপী চলা এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সূত্র অনুযায়ী, বৈঠকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং এর সময়সীমা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তবে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম প্রস্তাব বা চূড়ান্ত করা হয়নি। সংবিধানে নির্ধারিত ৯০ দিনের সময়সীমার আগেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

বৈঠক সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র মুক্তকণ্ঠকে জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব সর্বসম্মতিক্রমে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে আশ্বস্ত করে বলেন, "দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক আরও উন্নতি দৃশ্যমান হবে।"

এছাড়া দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো নিয়েও বৈঠকে মতামত আদান-প্রদান করা হয়।

উক্ত বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী ও বেগম সেলিমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশ নেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ড. আব্দুল মঈন খান।