গণমাধ্যম কমিশন কেন প্রয়োজন
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বাংলাদেশে যত আলোচনা হয়েছে, এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়ে ততটা হয়নি।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বাংলাদেশে যত আলোচনা হয়েছে, এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়ে ততটা হয়নি।
মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের জন্য দুই সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো এতে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং মুক্তির দাবি তুলেছে। সরকার এটাকে গণমাধ্যমের ওপর হামলা বলে অস্বীকার করেছে।
গত জুলাই মাসে বাংলাদেশে ৬৪ জন সাংবাদিক হামলা, মামলা, হুমকি ও পেশাগত কাজে বাধার শিকার হয়েছেন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার চেয়ে অপতথ্য ও বিকৃত তথ্যের বিস্তার মোকাবিলা করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাংবাদিকদের নির্ভয়ে লেখার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকার কূটনৈতিক সম্পাদক।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হামলার শিকার সাংবাদিকেরা প্রথমে মামলা করতে অনাগ্রহী ছিলেন।
সাংবাদিকতা এখন কী সংকটে পড়েছে, এর থেকে বের হওয়ার উপায় কী—সেসব নিয়ে কথা বলেছেন জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক বারবারা মাসিং।
‘ডিডব্লিউ গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম ২০২৬’–এ বিশ্বের নেতৃত্বস্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে আমন্ত্রিত হয়ে অংশ নিচ্ছেন মুক্তকণ্ঠ সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি বেশ কয়েকটি আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সিপিজে।
দ্য ডিসেন্টের লেখাটি তীক্ষ্ণ, রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় এবং কিছু ক্ষেত্রে সংবাদ শিরোনামের ভাষা নিয়ে জরুরি অস্বস্তি তৈরি করে। কিন্তু ফ্রেমিং বিশ্লেষণ হিসেবে এটি দুর্বল।
কমিশনকে হতে হবে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত এবং প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলে লাভ হবে না।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে সংসদ ব্যর্থ হবে। সরকারি দলের কাজ সংসদকে কার্যকর করে এগিয়ে নেওয়া।