
কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতাকে ধরে পুলিশে দিলেন বিএনপি নেতা
কিশোরগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম (আশফাক)।

কিশোরগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম (আশফাক)।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া চর হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কবির খানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সুবর্ণা ঠাকুর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রমজান আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

জুলাই হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

জিয়াউল হক জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা এবং জামায়াতের প্রতি সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ও ভোটের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দল নিষিদ্ধের খেলা চলছে দীর্ঘদিন। আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা ইতিহাসের অদ্ভুত প্যারাডক্স তৈরি করেছে, যখন জামায়াত সংসদে বসে। এই প্রবণতার পেছনে রাজনৈতিক কৌশল কী?

ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থী জাতীয়তাবাদী ফোরাম ৭টি পদ এবং আওয়ামী লীগপন্থী স্বতন্ত্ররা ৫টি পদে জয়লাভ করেছে। সভাপতি ইউসুফ আলী ১১৫ ভোটে নির্বাচিত হলেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ ৯৫ ভোট পেয়েছেন। ভোটাররা ২৫০ জন অংশ নিয়ে ফলাফল রাত সাড়ে ১১টায় ঘোষিত হয়।

ডাকসু ভবনে আয়োজিত আলোচনা সভায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, বিএনপি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ সফল বিএনপি। বিভিন্ন নেতা গণভোট, জুলাই সনদ, সংবিধান ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে মতামত রাখেন।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দৈনিক মুক্তকণ্ঠ ৩ এপ্রিল জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি শিগগিরই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। এসবের মধ্যে বিচারক নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও দুদকের ক্ষমতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

শাস্তিমূলক আইন যদি দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, কিন্তু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো দুর্বল থাকে, তাহলে আইন নিজেই নিরপেক্ষতা হারিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।