জার্মানিকে হারিয়ে নকআউটে ইকুয়েডর, আইভরিকোস্টের ইতিহাস
ইকুয়েডর ২-১ গোলের ঐতিহাসিক এক জয় পেয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জিতেছে আইভরিকোস্ট।
ইকুয়েডর ২-১ গোলের ঐতিহাসিক এক জয় পেয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জিতেছে আইভরিকোস্ট।
নকআউট শুরু হতে বাকি এক সপ্তাহের কম সময়। এর মধ্যেই টাইব্রেকারের নিয়ম বদলাতে চায় ফিফা। ফিফা চায় দুই দলের জন্য সমান সুযোগ রাখতে।
প্রথম ম্যাচে জয় আর্জেন্টিনাকে অনেকটাই নির্ভার রেখেছে। এরপরও দলটিকে নানা সমীকরণ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। কী সেই সমীকরণ?
মরক্কোর সঙ্গে ড্র করার পর ব্রাজিলের সমর্থকেরা কিছুটা হতাশ হয়েছিলেন। তবে আজ হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের বড় জয় সেই হতাশা অনেকটাই দূর করে দিয়েছে। পুরো ৯০ মিনিটের ম্যাচে ছিল তীব্র লড়াই, টানটান উত্তেজনা আর আনন্দের চমৎকার সব মুহূর্ত।
হারলেও দক্ষিণ কোরিয়ার নকআউটে ওঠার আশা শেষ হয়ে যায়নি। প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারানোর সুবাদে এখনও ভালো অবস্থানেই আছে তারা।
তবে গত বিশ্বকাপে ওই একবারই স্কালোনিকে একটু আবেগপ্রবণ হতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তাঁকে কাঁদতে দেখা গেছে।
আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ছড়িয়ে থাকা দশটা দ্বীপ নিয়ে গঠিত কেপ ভার্দে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে জনসংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। বিশ্বকাপে গড়ল ইতিহাস।
ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ শেষ হয়েছে ১-১ গোলে। কিন্তু ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় একটি নাম—বুয়াদ্দি।
প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের গোলটা বাদ দিলে নখদন্তহীন এক ব্রাজিলকে দেখা গেছে। বিশেষ করে শুরুর আধাঘণ্টা ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ছিল ভীষণ হতাশাজনক।
কানাডায় বিশ্বকাপ ফুটবলের উচ্ছ্বাস। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ, ৪৮টি দেশ অংশ নিচ্ছে এবং ম্যাচ হবে ১০৪টি।
১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে উরুগুয়ে দুই বল ব্যবহার করে আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। মন্টেভিডিওর এস্তাদিও সেন্তেনারিওয়ে হয় এই ঐতিহাসিক ফাইনাল। ফিরে দেখা বিশ্বকাপ সিরিজে এই রোমাঞ্চকর স্মৃতি。
১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।