বরফ সময়
যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত
যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত
২০২৪ সালের মে মাসে বেগম রোকেয়ার অনবদ্য এই সাহিত্যকর্মকে ইউনেসকো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড-এশিয়া প্যাসিফিক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তি করেছে।
ফুরিয়ে গেলে সকল কুসুমিত জিজ্ঞাসা— নখের ছায়া ভুলে পাড়ি দিয়ো অক্ষুণ্ন বিষাদ।
কালপুরুষ রোহিণী শ্রবিষ্ঠা রেবতী আমার ঘরে ঢুকে পড়ে, মনোযোগী শ্রোতার ন্যায় বসে থাকে, মাঝেমধ্যে গলাখাঁকারি দেয়, ভাবখানা এমন, আমরা এসেছি, তবু কথা বলছ না?
এ নিদানে দায় তুমি, কার নামে খোঁজো! সব দায় নিজে নাও, নিজের গরজে।
স্বাধীনতাসংগ্রামের এই মহানায়কের মুক্তির সংবাদে রাইফেল উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন এক বাঙালি তরুণী। পাশে দাঁড়ানো আরেক তরুণীর হাতে ফ্রেমে বাঁধানো বঙ্গবন্ধুর একটি সাদাকালো প্রতিকৃতি।
১৯৭১ সালের যুদ্ধদিনে মওলানা ভাসানী ভারতে গৃহবন্দী ছিলেন কি না, তার একটি বিস্তারিত বর্ণনা আছে এ বইয়ে। যুদ্ধদিনে মাওলানা ভারতের আসাম, কোচবিহার, দেরাদুন ও কলকাতায় ছিলেন।
বেলা তার নিজেই বলেছিলেন, ‘৩০ বছর ধরে আমি একই বিষয়ে ছবি বানিয়ে চলেছি। মানুষের জীবনকে নিয়ে শোষক, মহাকালের প্রহসন ও ষড়যন্ত্র নিয়ে।’
ড্যাডির বহুল দেখা সেলফ পোর্ট্রেটটি ১৯৫১ সালে তোলা। ছবিটি তিনি তাঁর ৭৩ নম্বর ইন্দিরা রোডের বাড়ির শয়নকক্ষে তোলেন। মিডিয়াম ফরম্যাট টুইন লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরা ড্যাডির গলায় ঝোলানো।
মৌন ইতিহাস থেকে উঠে আসে বৃহৎ বিস্ফোরণ উড়ে যায় বৃহৎকেশীর মন খারাপের মেঘ
নামছি আমার স্মৃতির উঠোনে। আমার পুরোনো ডেরা ভেঙে গেছে সেই কবে, জাগতিক হিসেব-নিকেশে আমি বাস্তুচ্যুত। কিন্তু তাতে কী আসে–যায়? পা ফেলতেই হৃদপুরের পথঘাট আমাকে ফিসফিস করে বলল, ‘তুমি ফিরেছ!’
বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের পুনরুজ্জীবিতের হুমকির সম্পর্ক ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর আর কখনো এত গভীর ও জটিল হয়ে ওঠেনি।