ইরান কি বিশ্বকাপে খেলবে, না খেললে কী হবে
ইরানি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ডামাডোলে বড় এক প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে গেছে আগামী জুনে হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের ওপর।
ইরানি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ডামাডোলে বড় এক প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে গেছে আগামী জুনে হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের ওপর।
এতিম শিশুসহ দুটি মাদ্রাসার প্রায় সাড়ে ৮০০ শিক্ষার্থীর জন্য আজ সোমবার ইফতার ও রাতের খাবারের আয়োজন করেছে প্রথম আলো।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে জরিমানা থেকে শুরু করে পয়েন্ট কাটা, শিরোপা কেড়ে নেওয়া, এমনকি প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত হতে পারে সিটিকে।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, রাষ্ট্রের মদদ পেলে কীভাবে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনাকে অস্বীকার করার প্রবণতা উসকে দেওয়া যায়, তা–ও প্রত্যক্ষ করেছি।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধারের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।
প্রদর্শনী দেখতে এসে নাট্যাভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার হামলার ভয়াবহতা নতুনভাবে উপলব্ধি করার পাশাপাশি শিল্পের শক্তিতে আশার দিকনির্দেশনাও খুঁজে পেয়েছেন।
প্রদর্শনী দেখতে এসে চয়নিকা চৌধুরী জানালেন, এই ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হয়েছে—এ শুধু একটি ভবনের ক্ষতি নয়, গণমাধ্যম ও দেশের প্রতি আঘাতের এক গভীর প্রতীক।
গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণকে সভ্যতার ওপরে আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
‘আলো’ প্রদর্শনীতে এসেছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। পুরো প্রদর্শনীস্থল ঘুরে ঘুরে দেখেন। কখনো পোড়া বইয়ের সামনে এসে থমকে যান, বলে ওঠেন—কী নির্দয়, কী ভয়াবহ, কী নিষ্ঠুর!
‘আলো’ শীর্ষক প্রদর্শনী ঘুরে দেখতে এসে অদিতি মহসিন ফিরে গেলেন বিভীষিকাময় রাতে। ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে যেন নতুন করে উপলব্ধি করলেন ঘটনার ভয়াবহতা।
দমদমিয়ার আলোর পাঠশালার প্রাক্তন ছাত্র ফরিদুল আলম দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করেও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার স্বপ্ন দেখছেন।
এ হামলা–ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘অচিন্তনীয়’ বলে উল্লেখ করে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার বলেন, প্রদর্শনী না দেখলে হামলার ভয়াবহতা বোঝা যেত না।