প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল নিয়ে ধোঁয়াশা, অধিদপ্তর যা বলছে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনভর গুঞ্জন চলছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনভর গুঞ্জন চলছে।
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতি—দুই পথই আইনি জটিলতায় আটকে গেছে।
২০১৩ সালের পর কয়রা উপজেলার কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় বর্তমানে ৮৫টি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে, যা পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে প্রভাব ফেলছে।
কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবের প্রতিবাদে এবং এনটিআরসিএ পদ্ধতি বহাল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত নির্বাচিত হয়েও যোগদান করতে পারছেন না ১৪ হাজার ৩৮৪ জন।
রসায়ন বিষয়ে দুটি পদ থাকলেও কোনো স্থায়ী শিক্ষক নেই, ফলে তিন শ শিক্ষার্থী খণ্ডকালীন শিক্ষকের ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া কৃষিশিক্ষা পড়াতে হচ্ছে ভূগোলের শিক্ষকদের।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রায় ৩০ হাজার মামলাজটে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ। ২ জুলাই আপিল বিভাগে রায়ের আশা। তিনি নকল প্রতিরোধে পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় সংসদে জানান, মামলার জটিলতার কারণে শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগপ্রক্রিয়া আটকে আছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘ স্থবিরতার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। দেশের ৬১টি জেলায় চূড়ান্ত নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর তথ্য পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। ১০-১৫ দিনের মধ্যে এটি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে কম সিজিপিএ ও অভিজ্ঞতাহীন প্রার্থীদের শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। উপাচার্যের গাড়িতে দ্বিগুণ জ্বালানি ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। এসব অনিয়মে ছাত্র সংগঠন পদত্যাগ দাবি তুলেছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) তাদের বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
এনটিআরসিএ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ সহকারী শিক্ষক পদে, ৪৪ হাজার ৬৯১টি।