
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের আলোচিত প্রার্থীরা কে কার কাছে হারলেন
নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন

নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন

বাংলাদেশের পাশে ভারতের রাজ্য ত্রিপুরা ও আসামে বিজেপি ক্ষমতায়, মেঘালয়েও তাদের জোট। এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শাসন।

আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ভবানীপুর আসনে এখন পর্যন্ত এগিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার এগিয়ে থাকার এই ফল বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না বলে নিশ্চিত বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু।

বিজেপির জয় হোক বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের—উভয় সম্ভাবনাই ভারতের জাতীয় ও প্রাদেশিক রাজনীতির দশকের পর দশক ধরে চলা উদ্বেগ ও উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল সোমবার। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল ও বিজেপি।

গত চার দিন ধরে রাজ্য তো বটেই, দেশেরও সর্বত্র একটাই জল্পনা, শেষ পর্যন্ত বাজি কে মারবেন। নরেন্দ্র মোদি নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল দুই শ আসনে জয় পাবে বলে দাবি করেছেন মমতা।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।