জ্বালানিসংকটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুযোগ কেন নয়
ঢাকার একটি পোশাক কারখানার মালিক গত বছর হিসাব কষে দেখলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল তাঁর উৎপাদন ব্যয়ের প্রায় ২২ শতাংশ।
ঢাকার একটি পোশাক কারখানার মালিক গত বছর হিসাব কষে দেখলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল তাঁর উৎপাদন ব্যয়ের প্রায় ২২ শতাংশ।
দিনে ও রাতে সমানতালে বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। কুমিল্লার কোথাও কোথাও দিনে ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।
তীব্র গ্যাসসংকটে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে শিল্প-কলকারখানায়। বিদ্যুৎ উৎপাদনে পাওয়া যাচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত গ্যাস। এদিকে আবাসিক গ্রাহকদের বাসাবাড়িতেও পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে রান্না-বান্না। গ্রাহক পর্যায়ে চরম অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। অথচ এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে প্রতিদিনই সিস্টেম লসের নামে প্রায
গ্যাস–সংকটের প্রভাবে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর বিভিন্ন শিল্পে উৎপাদন কমেছে; কয়েকটি কারখানায় ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি উঠেছে।
বর্তমান জ্বালানিসংকটের পেছনে গ্যাস সরবরাহের স্বল্পতা, আমদানিনির্ভরতার ধারা, উৎপাদন কমার প্রবণতা এবং বিকল্প জ্বালানি ও দক্ষতা বৃদ্ধির নানা দিক তুলে ধরে মতামতধর্মী লেখা।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ জেলা। সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি, শিল্পকারখানায় উৎপাদন হ্রাস এবং তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের বয়লার চালু হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও শিল্পখাতে উৎপাদন হ্রাস ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর পরিকল্পনার দাবি জানানো হয়েছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। জ্বালানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। কারিগরি কারণে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ।
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার এখন দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে।
যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট পুনরায় চালু হয়েছে, যা বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।
কাতার থেকে আমদানি হয় ৭০ শতাংশ এলএনজি, দেশটির উৎপাদন বন্ধ থাকবে লম্বা সময়। বিকল্প উৎসের সন্ধান। দাম চড়া।
বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচই ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।