
ব্যাংকের টাকা নিয়ে যারা বিনিয়োগ করেনি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে: এ কে আজাদ
এ কে আজাদ বলেন, ১০ শতাংশ গ্যাস চোরাই লাইনে প্রভাবশালীরা নিচ্ছেন। তিতাসের লোক দিনের বেলায় অবৈধ সংযোগ কেটে আসেন, সন্ধ্যাবেলা আবার চালু হয়ে যায়।

এ কে আজাদ বলেন, ১০ শতাংশ গ্যাস চোরাই লাইনে প্রভাবশালীরা নিচ্ছেন। তিতাসের লোক দিনের বেলায় অবৈধ সংযোগ কেটে আসেন, সন্ধ্যাবেলা আবার চালু হয়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে বলেছে, নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, ঋণটি খেলাপি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে যেভাবে অপসারণ করা হয়েছে, তা নিয়ে চরম সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটাতে তিনি কী করেছেন বা কী করেননি অর্থাৎ তাঁর সাফল্য ও ব্যর্থতার বিষয়টি নিয়েও পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে। অর্থনীতিবিদদের কাছে তিনি প্রশংসনীয় হলেও ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে তিনি সমালোচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাংকের গ্রাহকদের বড় অভিযোগ, তাঁর কারণে তাঁরা ব্যাংক থেকে তাঁদের আমানত তুলতে পারছিলেন না। আহসান এইচ মনসুরই তাঁদের টাকা আটকে দিয়েছেন। বিষয়টি কেমন? আসুন দেখা যাক।

সদ্য বিদায়ী গভর্নর কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়ে রিজার্ভ ও ডলার–সংকটসহ তখনকার সংকটগুলো সামাল দিয়েছেন। এখন নতুন গভর্নরকে চলমান সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করে ব্যাংক খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

গত বছরের মাঝামাঝিতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ১৯ শতাংশে উন্নীত হয়। নানা উদ্যোগের ফলে বছর শেষে তা ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

১০ কোটি টাকার কম ঋণে গড় খেলাপির হার সাড়ে ২১ শতাংশ। আর ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণে খেলাপির হার ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ বড় ঋণের অর্ধেকের বেশি খেলাপি।

ভয়ংকর উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, বারবার ঘটে যাওয়া ঋণ জালিয়াতির সব ঘটনা, স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার প্রবণতার কারণে ব্যাংকিং খাতের ওপর মানুষের আস্থা তলানিতে।

গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খেলাপি ঋণের ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংককে দিয়েছে ব্যাংকগুলোর নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)।

নির্বাচিত হলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে—বিএনপির এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

শওকত আজিজ রাসেল বলেন, এই খাতে ২২–২৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। এসব বিনিয়োগ অচল হয়ে গেলে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।