দমদমিয়ায় মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে অবস্থিত মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত দমদমিয়া আলোর পাঠশালায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২১ তারিখ কাক ডাকা ভোরে
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে অবস্থিত মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত দমদমিয়া আলোর পাঠশালায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২১ তারিখ কাক ডাকা ভোরে
শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক লাপ্রাদ ত্রিপুরা উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছেন।
রাজশাহীর প্রত্যন্ত অঞ্চল চরখিদিরপুর গ্রামের এক সংগ্রামী তরুণ মো. আরাফাত রহমান। সে রাজশাহী আলোর পাঠশালায় ১০ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। নদীর ওপার থেকে প্রতিদিন কষ্ট করে যাতায়াত
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানার গুড়িহারী গ্রামে মমতা খাতুনের বাড়ি। সে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী।
মুক্তকণ্ঠ চরের বাসিন্দা মো. নুর আলমের ছেলে মো. শাহিন আলম। সে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত কুড়িগ্রামে অবস্থিত মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শাহিনেরা চার ভাই। ভাইদের মধ্যে তৃতীয় সে..
মদনপুরের দুর্গম চরে বসবাস করলেও স্বপ্নে আকাশ ছুঁতে চায় সানজিদা আক্তার। সানজিদা মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মদনপুর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। দারিদ্র্য, যোগাযোগের প্রতিকূলতা ও
নওগাঁর নিয়ামতপুরের গুড়িহারী গ্রামের জান্নাতুন দশম শ্রেণির ছাত্রী। দিনমজুর বাবার কষ্ট কমাতে নিজেকে স্বাবলম্বী করে শিক্ষক হতে চায় সে। মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের আলোর পাঠশালায় পড়ে সে নিয়মিত।
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার গুড়িহারী গ্রামের মোছা. সাফিয়া খাতুন চরম দারিদ্র্য ও অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুই হাজার জিও ব্যাগের সহায়তায় কুড়িগ্রামের মুক্তকণ্ঠ চরে নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, যার ফলে তিন শতাধিক পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষা পেয়েছে।
বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি যা একটি মেয়ের শৈশব ও ভবিষ্যৎ কেড়ে নেয়। এই কুপ্রথা রোধে সচেতনতা ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুরোঞ্জনা রানী।
নদীর ঢেউ আর চরম দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বড় হওয়া এক অদম্য কিশোর মো. আশরাফুল ইসলাম। লক্ষ্য তার একটাই— বড় হয়ে পেশাদার ফুটবলার হওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকাকে তুলে ধরা।
শিক্ষা মানুষের জীবনকে আলোকিত করে এবং সমাজকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর এই বিশ্বাস থেকেই নিজের ভেতরে শিক্ষার আলো ধারণ করে ভবিষ্যতে সে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হতে চায়।