
যেভাবে ইসরায়েলের ফাঁদে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।

তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা কম।

বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে

এর একটা কারণ হতে পারে, ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকা আঞ্চলিক বিপর্যয়ের লাগাম টেনে ধরার চেষ্টায় রয়েছে।

ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতিও সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার দৌড়ে আছেন

ইরানে গত শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করে।

আজ মঙ্গলবার ভোরে সংঘটিত এ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানে পশ্চিমাদের হস্তক্ষেপ যাঁরা সমর্থন করে আসছেন, তাঁরা বহু বছর ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন—ইরানের বিদ্যমান সরকার দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক ক্ষয় ও সামাজিক স্থবিরতার মধ্য দিয়ে পুরো দেশের যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে, তা বাইরের দেশের সহিংস বিদেশি হস্তক্ষেপের ঝুঁকির চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।

গতকাল একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে।

ইরান উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১২টি মার্কিন এফ-২২ যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে।