কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা: নিহত ২৩, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমের খবর বলছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইসলামের ‘কালেমা শাহাদাত’খচিত সাদা পতাকা একদল মানুষ রাস্তার পাশে টাঙানো শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও এই নিয়ে মিছিলও হয়েছে। এর আগেও এ ধরনের সাদা বা কালো পতাকা ওড়ানো আমরা দেখেছি।
বিজ্ঞানী এবং গবেষকেরা বলছেন, জিএমও প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়ার মতো অন্য কোনো জীব থেকে জিন এনে উদ্ভিদের কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য তৈরি করা হয়। তবে কৃষকেরা হাজার বছর ধরে অত্যন্ত ধীরগতিতে আরেকটি কাজ করে আসছেন। তা হলো নির্বাচনী প্রজনন বা সিলেক্টিভ ব্রিডিং। কলা থেকে শুরু করে বেগুন—এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা মানুষ চাষ করার আগে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম দেখতে ছিল।
মানুষ তার নিজের তৈরি প্রযুক্তির ক্ষতি থেকে বাঁচতে যখন প্রকৃতির ওপর কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ চালাতে যায়, তখন জন্ম নেয় নতুন কোনো বিপদ।
অ্যাটেনডেন্ট কেবিনে পেশেন্টের কাছে ফিরে গেলেন। গিয়ে দেখেন হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে পেশেন্ট বিছানায় শুয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন না একই সময়ে একজন মানুষ দুই জায়গায় কীভাবে থাকে! আমরা শুধু জানতে পারলাম অ্যাটেনডেন্ট অজ্ঞান হয়ে গালিবের বেডের পাশে ফ্লোরে পড়ে আছেন। ঘটনা জেনেছি তার জ্ঞান ফেরার পর।
গুলিবিদ্ধ রবিউল ইসলামকে পুলিশের পাহারায় আদালতে আনা হলে উৎসুক মানুষ ভিড় করেন। আদালত চত্বরে নামতেই চারপাশ থেকে ভেসে আসে ক্ষুব্ধ মানুষের চিৎকার।
এমন বহু মানুষ আছেন, যাঁরা রাতে শোবার আগে ব্রাশ করেন না। অথচ শোবার আগের এই দুই মিনিটের ছোট্ট কাজ না করার কারণেই পরে দেখা দেয় নানা সমস্যা।
রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে এই জনপদ। চার জেলার পদ্মার এই দুর্গম চরাঞ্চলে প্রায় ২০ বছর আগেও দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল। তাদের ভাগ না দিয়ে কেউ চরের ফসল ঘরে তুলতে পারতেন না। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের হাতে ওই সময় ৪১ জন মানুষ খুন হন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ায় প্রায় ১৪ লাখ মানুষ হতাহত হয়েছেন, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশের সমান। তাঁদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ নিহত।
জুবাইদা বলেন, ‘আমাদের দেশের ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন, কিন্তু ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটগুলো মূলত বড় শহরের হাসপাতালগুলোতে কেন্দ্রীভূত।’
প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে সংকটে ভুগছেন। অন্যদিকে সীমিত আয় করেও অনেক মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। কীভাবে? কারণ প্রকৃত স্বাচ্ছন্দ্য উপকরণে নয়।
ধ্বংসোন্মুখ পৃথিবী। বইছে ধূলিঝড়। বাতাস বিষাক্ত। ফসলের খেত পুড়ে ছারখার। না খেয়ে মরছে মানুষ। অথচ সেই চরম সংকটময় সময়ে ভূগর্ভস্থ গোপন দপ্তরে বসে বিজ্ঞানীরা কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানাচ্ছেন মহাকাশযান।