নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান ৩৭ বিশিষ্টজনের
নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তাঁরা এ আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তাঁরা এ আহ্বান জানান।
বাপা, বেলা ও মিশন গ্রিন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও গর্জনবন রক্ষার দাবিতে বন অধিদপ্তরের সামনে সমাবেশ করে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
নির্বাচন শেষে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে নিরীহ নাগরিক ও ভোটাররা সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
টিআইবি বলছে, একজন প্রার্থী বিদেশে তাঁর নিজের কোনো সম্পদের তথ্য না দিলেও স্ত্রীর নামে দুবাইয়ে ফ্ল্যাটের মালিকানা রয়েছে।
পরবর্তী সরকারের কাছে ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ, সুশাসিত ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা উঠে এসেছে নাগরিক ইশতেহারে।
বাড়ি ভাড়া নামের নীরব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা। রাজউক ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষকে কেবল উচ্চবিত্তের জন্য প্লট বরাদ্দ না দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ার ফ্ল্যাট প্রকল্প বাড়াতে হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর ২৯ দিন। অথচ এখনো নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বা আমেজ তৈরি হয়নি বলেই আলোচনা উঠল এক সংলাপে। নাগরিক সংগঠন সুজনের এই আলোচনায় আলোচকেরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত অধ্যাদেশ রহিত করায় ৩১ বিশিষ্ট নাগরিক যৌথ বিবৃতি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের আশঙ্কা করা হয়েছে। সরকারকে নির্বাচনী অঙ্গীকার মেনে চলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
নাগরিক কোয়ালিশন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পৃথককরণ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশের প্রতিবাদে সরকারের প্রতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, এটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও জনগণের অভিপ্রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিবৃতিতে জাতীয় ঐকমত্যের কথা উল্লেখ করে সংস্কারগুলো রক্ষার দাবি করা হয়েছে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দ্বারা ইউএনওসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আসামিদের ফেরত ও বিচার নিশ্চিত না করে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব নয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এবং চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস সরিয়ে ফেলা হয়েছে।