হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলতে গেলে মানতে হবে যেসব শর্ত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের পূর্বঘোষিত ‘নিরাপদ লেন’ ব্যবহার করতে হবে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের পূর্বঘোষিত ‘নিরাপদ লেন’ ব্যবহার করতে হবে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস পরিবহনের পথ হলেও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস আরও বিস্ময়কর। আরব্য ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষ এখানে পর্বতমালা, তেলভান্ডার ও অনন্য ভূপ্রকৃতি গড়ে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ধীরে ধীরে সংকুচিত হলেও বন্ধ হতে ১ কোটি বছর লাগবে।
মালাক্কা প্রণালির আদলে হরমুজ প্রণালির যৌথ ব্যবস্থাপনা এবং স্বেচ্ছায় টোল আদায়ের প্রস্তাব ইরানকে দিয়েছে ওমান, যাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথের প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে চীন।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি মার্কিন তেল ট্যাংকার লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও সেবা ফি সংগ্রহের বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে, যা চূড়ান্ত চুক্তির পথে রয়েছে। তবে এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি রয়েছে।
প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেই ধরা হবে।
জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথ চালনার বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও হুমকির কারণে এই জলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তেহরান এখনো উদ্বিগ্ন।
বিশ্বের অন্যতম সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে থামিয়ে দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কিত আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তাসনিম জানিয়েছে, ‘আমাদের পক্ষ থেকে বারব
আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ‘দক্ষিণঘেঁষা অনিরাপদ অংশ’ দিয়ে ট্যাংকার দুটি যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।