
এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে দুর্গম চরের সানজিদা
মদনপুরের দুর্গম চরে বসবাস করলেও স্বপ্নে আকাশ ছুঁতে চায় সানজিদা আক্তার। সানজিদা মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মদনপুর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। দারিদ্র্য, যোগাযোগের প্রতিকূলতা ও

মদনপুরের দুর্গম চরে বসবাস করলেও স্বপ্নে আকাশ ছুঁতে চায় সানজিদা আক্তার। সানজিদা মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মদনপুর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। দারিদ্র্য, যোগাযোগের প্রতিকূলতা ও

দারিদ্র্যকে জয় করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কুড়িগ্রাম জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম চর কুমরের বসের সন্তান মো. লতিফুল ইসলাম। তিনি মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার সাবেক শিক্ষার্থী।

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া আলোর পাঠশালার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আফিফা মনি, যে অল্প বয়সেই পিতৃহারা হয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। বাবা মনির আলমের অকাল মৃত্যুর পর পরিবারে নেমে আসে গভীর আর্থিক অনিশ্চয়তা।

অনেকেই ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু আমি একজন ফুটবলার হতে চাই। ভালো ফুটবলার হয়ে দেশ-বিদেশে ঘুরতে চাই। দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।

পলাশের বাবা মো. সিদ্দিক আলী পেশায় একজন খেয়াঘাটের মাঝি। দুই নদীর মোহনায় নৌকা চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালানোই যেখানে দায়, সেখানে সন্তানদের পড়াশোনা করানো ছিল এক

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত দমদমিয়া আলোর পাঠশালা থেকে ফরিদুল আলম ২০২৩ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে। তার পিতার নাম খুইল্যা মিয়া, মাতার নাম আমিনা বেগম। ছোট বেলায়

দমদমিয়ার আলোর পাঠশালার প্রাক্তন ছাত্র ফরিদুল আলম দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করেও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার স্বপ্ন দেখছেন।

রাজশাহীর প্রত্যন্ত অঞ্চল চরখিদিরপুর গ্রামের এক সংগ্রামী তরুণ মো. আরাফাত রহমান। সে রাজশাহী আলোর পাঠশালায় ১০ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। নদীর ওপার থেকে প্রতিদিন কষ্ট করে যাতায়াত

লক্ষ্মীপুর জেলার উপকূলীয় অঞ্চলে দুই ব্রিজের মধ্যখানে মেঘনা নদীর তীরে নোঙর করা নৌকায় বসবাস করেন মো. হারুনের পরিবার। তার পরিবারের পাঁচ সদসে্যর মধ্যে রেখা আক্তার সবচেয়ে ছোট।

অভাব, কষ্ট আর নানা প্রতিকূলতার মাঝেও হার মানেনি এক গ্রামীণ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। সমাজের বাধা পেরিয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক নীরব সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে টেকনাফ উপজেলার কিশোর শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম।

‘মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ পাব ভাবতেই পারিনি!’ কথাটি বলে মদিনা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। কী হয়েছিল জিজ্ঞেস করলে তার জীবনের গল্প বলতে শুরু করে সে।

রাজশাহী আলোর পাঠশালার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবাইয়া খাতুন। রুবাইয়ার আরও একজন বোন আছে। দুই সন্তানকে নিয়ে ওর বাবা-মায়ের সংসার। বাবা রংমিস্ত্রির কাজ করেন। পাশাপাশি ফুটপাতে