প্রথম ধাপে ২০৪ ইউপিতে নির্বাচন করবে সরকার
স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, তা জাতীয় সংসদ থেকে চূড়ান্ত হতে হবে। তার পরই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, তা জাতীয় সংসদ থেকে চূড়ান্ত হতে হবে। তার পরই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সীমানা নির্ধারণ থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অনেক বিষয় সরকারের সঙ্গে জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন দিয়ে শুরু করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন। একইসঙ্গে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সাবেক রাষ্ট্রপতির বিচার নিশ্চিত করে তাঁকে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল জানান, বর্ষা শেষে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ইউপি নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধাপ শুরু করার পরিকল্পনা। সব নির্বাচন শেষ করতে লাগতে পারে ১০ থেকে ১২ মাস।
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয় এবং রিফর্ম ইউকের উত্থান রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নাইজেল ফারাজের দলের অগ্রগতি এবং গ্রিন পার্টির শক্তি দ্বিদলীয় ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে। বিশ্লেষকরা এতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর চাপ দেখছেন।
আগামী মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং অক্টোবরের প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কোরআন তিলওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়।
বহু বছর পর দেশের মানুষ দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রে ফিরতে পেরেছে। এবারের নির্বাচন ও নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মানুষের মনে অনেক স্বপ্ন কাজ করছে।
জাতীয় সংসদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত শুরু করবে সরকার।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ভূমিকার তাগিদ দেন।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের (মেম্বার) বেতন বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।