
শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা, আসামি ২৩৪
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।

শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির জানিয়েছেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন পেতে দেরি হওয়ায় মামলা করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। আজ রাতেই ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের দায় প্রশাসন এড়াতে পারে না বলে মনে করে এনপিএ।

জামায়াতে ইসলামীর নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন মামুনুল হক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার মধ্যেই শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা নিহতের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার এ কথা বলেছে।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান।

সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতী শহরে দ্বিতীয় দফায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

নিহত মাওলানা রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবির প্রভাষক ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।