যুক্তরাষ্ট্রকে জবাব, কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানের হামলা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যে গতকাল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফরের কথা সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যে গতকাল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফরের কথা সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত ১৭ জুন একটি সমঝোতায় সই করেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা।
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
ধরা হয়েছিল, গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে ইরান সরকার কষ্টকর কিছু শিক্ষা পেয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলাকালেই এই জরিপ চালানো হয়। এই অভিযানে কোনো মার্কিন সেনার হতাহতের খবর আসার আগেই জরিপের কাজ শেষ হয়।
সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার জবাবে ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবস্থানে যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব; এতে পিএমএফ সদস্যসহ অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন।
গত শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল ও কয়েকটি উপসাগরীয় আরব দেশে বিস্ফোরণ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান সরকার টিকে যেতে পারে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে কুয়েতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের দুর্বলতাকে সামনে এনেছে।
ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর ইরান রোববার ভোরে ইসরায়েল ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। কুয়েত ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের হামলার জবাব দিচ্ছে। এক মাস ধরে চলা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য ছড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি অস্থির করেছে।