ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। এই অভিযানে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় নিনেভেহ প্রদেশে এই হামলা চালানো হয়। নিনেভেহে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) কমান্ড জানিয়েছে, নিহতরা ওই বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
সম্প্রতি সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নির্দেশনায় মার্কিন বাহিনী ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগে ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে।"
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের বিভিন্ন অবস্থানে অভিযান চালিয়েছে সৌদি সশস্ত্র বাহিনী।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, "সোমবার ও মঙ্গলবার দেশটির পূর্বাঞ্চল এবং রাজধানী রিয়াদের তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ছোড়া একাধিক ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করা হয়।"
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই যৌথ সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দুই দেশ। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, পিএমএফের সংশ্লিষ্ট ইউনিটও যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।