মাহাদী বললেন, ‘এটা ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তির বহিঃপ্রকাশ’
‘আলো’ শীর্ষক এ আয়োজন দেখতে এসেছিলেন সরকারের প্রতিমন্ত্রী, খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী, কূটনীতিক, অভিনয়শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।
‘আলো’ শীর্ষক এ আয়োজন দেখতে এসেছিলেন সরকারের প্রতিমন্ত্রী, খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী, কূটনীতিক, অভিনয়শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পী, রাজনীতিক, পেশাজীবীসহ অনেক দর্শনার্থী প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন। ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠেছেন তাঁরা।
দর্শনার্থীরা বলেছেন, মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে যে আক্রমণ হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজ বা সভ্য মানুষের কাজ নয়। এটা উগ্রপন্থী মনোভাবের প্রকাশ। সবাই হামলার বিচার দাবি করেছেন।
পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। শনিবার এসেছিলেন অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।
শিল্প প্রদর্শনীর নবম দিনে প্রচুর দর্শকসমাগম হয়েছিল। দর্শকেরা শিল্পকর্মটির প্রশংসা করেন এবং ভয়াবহ এই হামলার নিন্দা জানান।
অঞ্জন চৌধুরী বলছিলেন, এই যে ধ্বংসযজ্ঞ এটা আমাদের জন্য, আমাদের জাতির জন্য একটা লজ্জার বিষয়।
প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনেত্রীর মতে, এটি সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর দেখা সেরা প্রদর্শনী। সঙ্গে এখানে দ্রুত কর্মচাঞ্চল্য ফেরার আশাও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
প্রদর্শনী দেখতে এসে ব্যাংকার জান্নাতুন নাঈম বলেন, ‘আমি ধারণাও করতেও পারিনি এমন ঘটনা ঘটবে। এরপরও মুক্তকণ্ঠ পত্রিকা প্রকাশ করে দেখিয়েছে, তারা মাথা নোয়াবার নয়।’
অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পী মাহবুবুর রহমানের শিল্প প্রদর্শনী ‘আলো’।
কত বই পড়ার সুযোগ হয়েছে। কত পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পড়ুয়া কত কত মানুষের যে সান্নিধ্য পেয়েছি, তার কি শেষ আছে?
জাতিসংঘ মিশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়ন্ত অধিকারী এসেছিলেন সস্ত্রীক। তিনি বললেন, ‘এই প্রদর্শনী হওয়া খুবই দরকার ছিল।
নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, মুক্তকণ্ঠ ভবন যেভাবে পোড়ানো হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।