
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।

ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ইরানি নৌকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মহাকাশ যুদ্ধ ও ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাসংবলিত বেশ কয়েকটা ছবি দিয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, হামলা সত্ত্বেও ইরানের ৯০% ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল এবং ৭০% মজুত অক্ষত। চলতি মে মাসের শুরুতে তৈরি এ প্রতিবেদন নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির বিপরীতে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

প্রতি চার মার্কিন নাগরিকের একজন মনে করেন, গত এপ্রিলে ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টার ঘটনা সাজানো ছিল। নিউজগার্ডের জরিপে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই বিশ্বাস বেশি। অন্যান্য হামলাগুলো নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড ইরানি ট্যাঙ্কারে হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণের হুমকি দিয়েছে। ট্রাম্প ওয়াশিংটনের শান্তি প্রস্তাবে ইরানের দ্রুত জবাব আশা করছেন। লেবানন সীমান্তেও উত্তেজনা চলছে, খারগ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েক দেশের ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানের একটি বড় অংশই ইরানের হামলার শিকার হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে আগামী ছয় ছয় মাসের মধ্যে হামলার আশঙ্কা অনেক বেড়েছে।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।