‘ই-সিগারেটের মাধ্যমে অন্য নেশায় জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে’
ই-সিগারেটের মাধ্যমে অন্য নেশায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা অবশ্যই আছে। ই-সিগারেটে ব্যবহৃত তরল বা লিকুইডের সঙ্গে সহজেই ক্যানাবিস বা গাঁজার নির্যাস মিশিয়ে সেবন করার বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে
ই-সিগারেটের মাধ্যমে অন্য নেশায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা অবশ্যই আছে। ই-সিগারেটে ব্যবহৃত তরল বা লিকুইডের সঙ্গে সহজেই ক্যানাবিস বা গাঁজার নির্যাস মিশিয়ে সেবন করার বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে
আসক্তির ফলে মানুষ তার পেশাগত ও সামাজিক দক্ষতা হারিয়ে ফেলে। এটি কেবল একজন ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্যই নষ্ট করে না, বরং তার পরিবার ও চারপাশের সম্পর্কের
আগেকার দিনে নেশার জন্য মানুষকে কোথাও যেতে হতো, যেমন তাসের আড্ডা বা নির্দিষ্ট কোনো স্থান। কিন্তু প্রযুক্তি এখন আমাদের পকেটে থাকে। আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দেখতে ফোন হাতে
সন্তানদের ওপর শুধু নিষেধাজ্ঞা না চাপিয়ে, এই আসক্তি তাদের মস্তিষ্কে কী ধরনের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে তা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলতে হবে।
সন্তানকে একটি সুন্দর শৈশব উপহার দেওয়া মা-বাবার অন্যতম বড় দায়িত্ব। জিপিএ বা ভালো ফলাফলের চেয়ে সন্তান যেন
‘ডিনায়াল বা অস্বীকার করা একটি বড় সমস্যা। বাবা-মাকে খেয়াল করতে হবে সন্তানের স্খলনটা কোথায় হচ্ছে। যদি দেখেন আপনার সন্তান তার স্বাভাবিক জীবনের সাথে
আসক্তি মূলত একটি ভাইরাসের মতো। এটি যখন একবার মস্তিষ্কে ঢুকে পড়ে, তখন সেটি আপনার জীবনের অর্থ বদলে দেয়।
সভায় আলোচনার এক পর্যায়ে ‘ডিভাইস রুল’ এর কথা বলেন ডা. সরদার আতিক। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পরিবারে একটি ডিভাইস রুল (Device Rule) থাকা অত্যন্ত জরুরি। এটি অনেকটা
ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা বর্তমান প্রজন্মের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন আশঙ্কাজনক আসক্তিতে রূপ নিয়েছে। অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে তরুণেরা বাস্তব জগত থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বলে পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন
আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে মুক্তকণ্ঠের কার্যালয়ে ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভায় মাদকাসক্তির চিকিৎসায় মানসিকতার পরিবর্তন এবং সমাজভিত্তিক চিকিৎসা মডেল নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক ডা. হেলাল আহমেদ।
২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি রাজধানীর বাড্ডায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।
মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে না দেখে একজন সাধারণ রোগী হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. হেলাল আহমেদ। তিনি একে সামাজিক কলঙ্ক বা ‘ট্যাবু’ না বানিয়ে ভালোবাসা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার কথা বলেন।