
রান্নার চুলা থেকে স্টেশন,সবখানেই গ্যাস–সংকট
সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।

সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।

গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।

ঢাকায় রান্নার জ্বালানির উৎস মূলত দুটি—তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস।

ঢাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ, ভোগান্তি

বিজ্ঞপ্তিটি গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে প্রায় এক সপ্তাহ ধরেই এলপিজির সংকট চলছে। এর মধ্যে নানা দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এলপিজি বিক্রি বন্ধ রেখেছিল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

ভোক্তারা দোকানে দোকানে ঘুরেও সিলিন্ডার কিনতে পারছেন না। আবার কেউ সিলিন্ডার পেলেও দাম দিতে হচ্ছে দেড়-দুই গুণ।

সরবরাহ কম থাকার সুযোগে ১ হাজার ৩০৬ টাকার এলপিজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।

তবে সরবরাহ সংকট কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ

কাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রাজধানী ঢাকায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।