ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদে’ আরও ৭ মুসলিম দেশ, এ পর্যন্ত কে আছে কে নেই
যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পুনর্গঠন তদারকি করার জন্যই মূলত এই পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পুনর্গঠন তদারকি করার জন্যই মূলত এই পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
ইরান গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের পাশাপাশি লেবানন থেকে ইসরায়েলের সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
দুই বছরের যুদ্ধ তাকে হত্যা করতে পারেনি। একটি ছোট ভাইরাস সেটা করল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর গাজা, সিরিয়া ও বর্তমানে লেবাননে ইসরায়েলের ‘বাফার জোন’ (নিরাপদ অঞ্চল) তৈরির এই পদক্ষেপ তাদের কৌশলগত পরিবর্তনেরই প্রতিফলন।
যুদ্ধ চলাকালে গাজায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীও মনে করছে।
গাজা যুদ্ধ ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেন ইসরায়েলের পক্ষে তথ্য প্রদান করে, সেই লক্ষ্যেই কোটি কোটি ডলার ব্যয়ে একটি গোপন আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালিয়েছে ইসরায়েল বলে দাবি করেছে অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজ।
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ বন্ধে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের আলোচনায় সম্মত হয়েছে হামাস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অগ্রগতির কথা জানালেও ইসরায়েল এখনও সেনা প্রত্যাহার ও চুক্তি বাস্তবায়নে সংশয় প্রকাশ করেছে।
গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারাও নানা সময়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু এই প্রকাশ্য নিন্দার আড়ালে বাস্তব চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন।
কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।
গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল-জাজিরার সাংবাদিক মোহাম্মদ উইশাহ নিহত হয়েছেন। গাজা সরকারের মিডিয়া অফিসের দাবি, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রায় ২ হাজার বার শর্ত লঙ্ঘন করেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২৬২ সাংবাদিক নিহতের ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলি সমাজের ভেতরে বিপজ্জনক কিছু ঘটছে, যার পরিণতি পুরো অঞ্চলের জন্যই গুরুতর হতে পারে। গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি সমাজ সচেতনভাবেই প্রতিশোধকেন্দ্রিক এক সহিংস বয়ানের ব্যাপক ঐকমত্য গড়ে তুলেছে—যে ভাষ্য শুধু ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নয়, বরং এ অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধকে উৎসাহিত করে।
ইসরায়েল–গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ডেমোক্রেটিক পার্টির গভীর বিভাজনকে স্পষ্ট করে তুলেছে এই নির্বাচন।