রাঙামাটিতে আনারস চাষের ঢেউ, দেশের সর্বত্র ছড়াচ্ছে মিষ্টি ফল
রাঙামাটির রসালো মিষ্টি আনারসের চাহিদায় চাষ ক্রমাগত বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়েছে ২৪ হাজার ৮৬৫ মেট্রিক টন। পাইকাররা নিয়ে যান ঢাকা, চট্টগ্রামসহ নানা জেলায়।
রাঙামাটির রসালো মিষ্টি আনারসের চাহিদায় চাষ ক্রমাগত বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়েছে ২৪ হাজার ৮৬৫ মেট্রিক টন। পাইকাররা নিয়ে যান ঢাকা, চট্টগ্রামসহ নানা জেলায়।
রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামে ধান উৎপাদন কমে গিয়ে পানের বরজ বাড়ছে। একসময় শ্রমিকের কাজ করা মানুষসহ কৃষকেরা বাড়ির পাশে ও আঙিনায় পানচাষে নতুন আয়ের পথ খুঁজছেন—এমন তথ্য উঠে এসেছে।
উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে তারাকান্দা উপজেলার মাঝিয়ালিতে ‘অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
চলতি মৌসুমে সুপারি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন। উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি।
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ফল উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। কিন্তু এই অগ্রগতির চিত্র সব জেলায় সমান নয়। উৎপাদনের দৌড়ে বান্দরবান ও রাঙামাটি এগিয়ে থাকলেও খাগড়াছড়ি ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।
পাহাড়ি এলাকায় ধান চাষ করতেন সন্ধ্যামণি চাকমা (৬৫)। তবে এ চাষে তেমন লাভ হতো না তাঁর। পানির সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হতো। তবে এখন চিত্র পাল্টেছে। ওই জমিতেই তিনি করছেন আখ চাষ। এতেই বছরে আয় করছেন প্রায় চার লাখ টাকা।
ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির ঊর্ধ্বতন পরিচালক অরিঞ্জয় ধর বলেন, ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সরাসরি উৎপাদন সক্ষমতায় বিনিয়োগ করছি।’
ময়মনসিংহের ভালুকার নয়নপুর গ্রামের রোকন উদ্দিন ৩০টি লটকনের চারা দিয়ে শুরু করে এখন চার বিঘার দুটি বাগানে চাষ করছেন এবং কলমের মাধ্যমে চারা উৎপাদন ও বিক্রি করছেন।
রাজশাহীর চারঘাটে কৃষক হানিফ মণ্ডলের বাগানে দেশি-বিদেশি ৩২ জাতের আমের সমাহার। লাল, বেগুনি ও হলুদ রঙের বিরল আম দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। দেরিতে পাকা আম ও নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর উদ্যোগ তৈরি করেছে নতুন সম্ভাবনা।
হরমুজ প্রণালি বন্ধে সার সরবরাহে বিশ্ব উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশে জুন পর্যন্ত মজুত আছে, তবে আমন-বোরোর জন্য নতুন উৎস যেমন মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, চীন থেকে আমদানির চেষ্টা চলছে। সারের দামও বেড়েছে, দেশীয় উৎপাদন কম।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পতিরাজপুরে আজ সোমবার বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠান হয়। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামকে মানকচু ও কৃষিপণ্যে সজ্জিত তোরণে বরণ করা হয়। কৃষকরা উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও অন্যান্য সমস্যা তুলে সমাধানের দাবি জানান।
বারি জিরা-১ জাতের মাধ্যমে দেশে জিরা চাষের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় পরীক্ষামূলক চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকেরা, বিশেষ করে রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন হয়েছে।