নামাজ কেন জামাতে আদায় করতে হয়
অকারণে জামাত ত্যাগ করা মোনাফেকের লক্ষণ। আমাদের উচিত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করা এবং পরিবারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
অকারণে জামাত ত্যাগ করা মোনাফেকের লক্ষণ। আমাদের উচিত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করা এবং পরিবারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
আমরা ‘অবসর’ বলতে যা বুঝি, তার বাহ্যিক আর ভেতরের বাস্তবতার মধ্যে বিরাট ফারাক থাকে। ইসলাম সময় আর অবসরের ধারণাটাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখে।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পেছনে মিরাজের রাতের ইতিহাস এবং এর ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন আর জিজ্ঞেস করতে থাকেন, কে আছ যে ডাকবে, আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে, আমি দেব।
ইসলামের অন্যতম বিধান অজু—নামাজের জন্য প্রতিদিন অজু করতে হয়। রাসুল (সা.)-এর অজুর পদ্ধতি, পানি ব্যবহারের পরিমাণ, ধোয়া- মাসাহের ধরন এবং অজুর দোয়া—হাদিসভিত্তিক এসব বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।
অনেকেই প্রতিদিন নামাজে বা অন্য প্রয়োজনে মসজিদে যাতায়াত করি, কিন্তু এর আদব ও সুন্নাহ পালনে যথেষ্ট সচেতন নই। এই ছোট ছোট সুন্নাহ মসজিদে প্রবেশকে করে তোলে বরকতময়।
আশুরার একটি বিশেষ আমল হলো রোজা পালন করা। রাসুল (সা.) এ আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতের কথা বর্ণনা করেছেন।
কারবালার ঘটনার বহু আগে থেকেই ইসলামে এই মাসকে ‘শাহরুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়েছে। কিন্তু ১২টি মাসের মধ্যে শুধু এই মাসটিই এই মর্যাদা পেল কেন?