
এক মাসে তেলে ৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ সত্ত্বেও এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখায় সরকার এক মাসে ৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম ৯৮% বেড়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ সত্ত্বেও এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখায় সরকার এক মাসে ৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম ৯৮% বেড়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য নতুন সরকারকে কঠোর আর্থিক বাজেটের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বৈশ্বিক অস্থিরতায় ব্যয়ের সুযোগ সীমিত। তিন-চার মাসের স্বল্পমেয়াদি রূপরেখা ও মধ্যমেয়াদি বাজেটকাঠামোর প্রস্তাব করেছেন।

দুবাই উপকূলে ইরান কুয়েতি তেল ট্যাঙ্কার আল-সালমিতে হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি না খোলায় ইরানের তেলকূপ ও এনার্জি প্ল্যান্ট ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। এতে তেলের দাম বেড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াচ্ছে।

মার্চে জ্বালানি সরবরাহ হলেও মজুত শেষের দিকে। এপ্রিলে সূচি মেনে আমদানি দরকার। ডিজেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ, সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে।

এপ্রিলে চাহিদার অতিরিক্ত অকটেন আসছে। পেট্রল শতভাগ দেশে উৎপাদিত হয়। পেছাচ্ছে ডিজেলের জাহাজ।

ঈদের লম্বা ছুটির পর শিল্পকারখানা খুলেছে। ফলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহে তেলের চাহিদা বেড়েছে। দ্রুত তেল সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি না হলে উৎপাদন ও সরবরাহের ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়ার শঙ্কা।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি তেলের সংকট তীব্রতর হলে পরিবারের খরচ বাড়বে পরিবহন থেকে নিত্যপণ্য পর্যন্ত। এর প্রভাব এবং মোকাবিলায় পরামর্শ জানানো হয়েছে। আগেভাগে পরিকল্পনা করে সংকট মোকাবিলা করা যায়।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুধু সামরিক নয়, বিশ্বাস ও শহীদির ধারণার ওপর নির্ভরশীল। বাইরের আঘাত কখনো ইরানের শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, কারণ এটি তাদের ‘পবিত্র প্রতিরোধ’-এর গল্পকে জাগিয়ে তোলে। এই প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে শিয়া ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধ ইরানকে টিকিয়ে রাখছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেলশিল্প নিয়ন্ত্রণ নিতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এটিকে তাঁর অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন। ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির সঙ্গে এর তুলনা করেছেন ট্রাম্প।

কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বিশ্লেষক ম্যাডিসন কার্টরাইট সতর্ক করেছেন, ট্রাম্প একতরফাভাবে ইরান যুদ্ধ থেকে সরতে পারবেন না। স্থায়ী চুক্তিতে ইসরায়েল ও ইরান উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত অন্তত জুন পর্যন্ত চলতে পারে।

পেন্টাগনের ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনায় মার্কিন আইনপ্রণেতারা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সেনা জড়ো হচ্ছে এবং যুদ্ধ নতুন বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের অনুমতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

পেন্টাগন ইরানে কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে, যাতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে যোগ দিচ্ছেন। ট্রাম্পের অনুমোদনে এটি বিশেষ বাহিনীর দ্রুত অভিযান হবে, লক্ষ্য খারগ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানি অস্ত্র ধ্বংস। গত মাসে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।