
বিজয়ী বিএনপিকে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি।

শপথগ্রহণ শেষে বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদ সদস্যের শপথপত্রে সই করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের মধ্যে বিএনপি পেয়েছে ২৮টি, আর জামায়াত পেয়েছে ১১টি। বিএনপি আসন বেশি পেলেও ভোটে এগিয়েছে জামায়াত।

গত শনিবার সন্ধ্যার আগে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কলাকান্দিতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়ার সঙ্গে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।

রংপুরকে বলা হতো জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। সেখানে জামায়াতের উত্থান নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কথা হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজয় নিয়েও।

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ মঙ্গলবার শপথ নেবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় কাটেনি।

নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই দলের গুলশান কার্যালয়ের সামনে ভিড় করছেন বিএনপির নেতা–কর্মীরা।

অভিযোগ বাক্সে লেখা, ‘বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী চাঁদাবাজি অথবা অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকলে দয়া করে নির্দ্বিধায় লিখিত অভিযোগ জমা দিন। নিবেদক—মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, এমপি।’

জয়নালের বাড়ির আধা কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি জমিতে থাকা আমগাছে তাঁর লাশ ঝুলতে দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে।

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।