
কী নির্দয়, কী ভয়াবহ, কী নিষ্ঠুর—আলো প্রদর্শনী দেখে সৈয়দ আব্দুল হাদী
‘আলো’ প্রদর্শনীতে এসেছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। পুরো প্রদর্শনীস্থল ঘুরে ঘুরে দেখেন। কখনো পোড়া বইয়ের সামনে এসে থমকে যান, বলে ওঠেন—কী নির্দয়, কী ভয়াবহ, কী নিষ্ঠুর!

‘আলো’ প্রদর্শনীতে এসেছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। পুরো প্রদর্শনীস্থল ঘুরে ঘুরে দেখেন। কখনো পোড়া বইয়ের সামনে এসে থমকে যান, বলে ওঠেন—কী নির্দয়, কী ভয়াবহ, কী নিষ্ঠুর!

সুপ্রভার মতো মেলায় এসেছে ইবাদ, ইজান, মারিয়াম, সাদ, সুমাইয়াসহ অনেকে। শিশুরা আশ্রয় নিয়েছে পাপেট শোর মঞ্চের পাশের খেজুরগাছের ছায়ায়।

লোকসাহিত্য ছাড়াও নানা বিষয়ে বম ভাষায় তাঁর বইয়ের সংখ্যা ৭। দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করে চলা এই লেখকের গল্পই এখানে।

মহিউদ্দিন আহমদ লিখছেন, কারও চোখে তিনি শয়তান, কারও চোখে ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির। দুটোই চরম।

‘আমার অন্তরে এমন কিছু একটা ঘটেছে, যা আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, না কোনো বই কিংবা আইনে এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি।’

প্রায়ই লম্বা ঘুমে, না হয় নীলক্ষেতের পুরান বইয়ের ঢিপি কিংবা আজিজ মার্কেটের প্রথমা-তক্ষশিলায় বই নাড়াচাড়া করেই কাটে।

ইফতারে অন্য খাবারের সঙ্গে থাকে হারিস—হৃদয় ছুঁয়ে যায় এমন খাবারে। হারিস হলো গম ও মাংস ধীরে ধীরে রান্না করে তৈরি একটি পানীয় ধরনের পোরিজ। এর নরম ও ক্রিমি গঠন ইফতারের জন্য খুবই উপযোগী ও সহজে হজমযোগ্য।

আমলাতন্ত্র ও পুলিশি ভাষা, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ভাষা—সবই ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে প্রভাবিত করেছে। কবিতা, স্লোগান, ব্যঙ্গ—সব সময় ভাষার রাজনীতিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেছে।

একটি দেশের ভবিষ্যতের ভিত্তি রচিত হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে। কিন্তু ময়মনসিংহের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর যে চিত্র মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তা খুবই হতাশাজনক।

বন্ধের দিনের আগুনে অন্তত ২৬টি দোকান ও ১০টি বসতঘর পুড়ে গেছে। ঘরবাড়ির নানা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সঙ্গে পুড়েছে শিক্ষার্থীদের নতুন বই, খাতা, স্কুলব্যাগও। পুড়ে ছাই হয়েছে ২৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন আর আশা-আকাঙ্ক্ষা। আর আগুনে অনেক দোকানি ও পরিবার প্রায় নিঃস্ব হওয়ার পথে। সামনের দিনগুলো কীভাবে পার করবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা।

দেড়-দুই দশক আগেও বাংলাদেশের খেজুর আমদানি প্রায় পুরোটা নির্ভর ছিল মধ্যপ্রাচ্যের ওপর। তবে এখন বাজারে যে খেজুর পাওয়া যায়, তার সবই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে, এমন ধারণা এখন আর পুরোপুরি ঠিক নয়।

শিমরন হেটমায়ারের তাণ্ডবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে ২৫৪ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাতে ওলটপালট হয়েছে অনেক রেকর্ড বইয়ের অনেক পাতায়।