গণতান্ত্রিক বসন্তের একঘেয়েমি
হিয়া বসন্তের একঘেয়েমি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বহুদিনের একই রকম হাওয়া, গান আর কোকিলের রব কি আর ভালো লাগে না? লেখক বসন্তকে সকল মাসে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
হিয়া বসন্তের একঘেয়েমি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বহুদিনের একই রকম হাওয়া, গান আর কোকিলের রব কি আর ভালো লাগে না? লেখক বসন্তকে সকল মাসে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
ঋতু ও যৌবনের অনিত্যতা নিয়ে এক কবিতা। কোনো ঋতু স্বয়ম্ভূ নয়, সবাই পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। বসন্তের ফুল ছাড়া ঋতুর যৌবন অসম্পূর্ণ।
কলিঙ্গযুদ্ধের ছেঁড়া দিনলিপি থেকে শুরু করে ভূত-প্রেতের কবিতাপ্রেম এবং সরস্বতীর প্রশংসায় এই অশেষ কবিতালিপি। শিশুদের হারানো পিং পং বলের খোঁজ আর কবিদের পলায়নের ছবি আঁকা হয়েছে এতে। দৈনিকের সাহিত্যপাতায় ছাপা এই রচনায় পাঠকরা অভিভূত।
ঘুম ভেঙে চোখ খুললে এক বিশাল ক্যাকটাস দেখি, যার কাঁটায় শুরু হয় আমার জীবনের রহস্যময় যাত্রা। অপুষ্ট শৈশব, স্কুলের দিন, দাদির মৃত্যু এবং পরিত্যক্ত বাড়ির পেছনে ফিরে আসা—এক অদ্ভুত ইকোসিস্টেমে বেঁচে ওঠা। শেষে ক্যাকটাসের শিকড় আমাকে জড়িয়ে ধরে সত্য প্রকাশ করে।
২১ বছর বয়সে ঘরছাড়া হয়েছিলেন, আবার যখন ঘরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তখন তাঁর বয়স ৪৬। মাঝখানে পার হয়ে গিয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর।
নমনীয় মিহি গলার আওয়াজ। দরজা খুলে দিলাম। হকচকিয়ে গেছি। বিস্ময়ে আমার ভেতর অবশ ভাব চলে এসেছে। হতভম্ব চোখে দেখলাম সামনে হিম দাঁড়িয়ে আছে।
বর্ণমালারা মিলেমিশে অক্ষর-শব্দ-বাক্য গঠন করলেও কোনো গভীর মালা গাঁথেনি। তারা প্রেমহীন, কামহীন, সম্মতিবিহীন হয়ে শুয়ে আছে। যেন ল্যাবরেটরির পেট্রি ডিশে ক্যালসিয়াম-পটাসিয়াম-ভিটামিন মিশিয়ে ফলের সৌন্দর্য গড়া হয়নি।
সাবরিনা বুঝতে পারে না নাদিয়ার এমন ইমম্যাচিউর কথাবার্তার কারণটা কী। দিন দিন ওর বুদ্ধিশুদ্ধি কমছে নাকি?
আলোর ভয়ে ছড়ানো ফোয়ারা ফুল, লোভে পড়া যৌনতরু এবং মিথ্যের জালে আটকে রাজহাঁসের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই লেখায়। আত্মবন্দী এক মানুষের চরকায় সুতোকাটা এবং মায়ার প্রতিবিম্বের কথা উঠে এসেছে। অর্থ-জ্ঞানে কোনো বৃহস্পতি নেই বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
নর্মদা নগরীর কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে স্তূপাকার জঞ্জালের ছবি। ব্যর্থতা ও ধ্বংসের প্রতীক এই স্তূপ বর্ষার আগে সরিয়ে ফেলার আহ্বান। আয়ুষ্কাল অতিক্রম করে কে বেঁচে থাকে?
‘আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? বলুন, কোনো তথ্য আড়াল করবেন না। কারা মদদ দিচ্ছে আপনাকে? কত টাকা পেয়েছেন? কোথায় সেই টাকা? চুপ করে থাকবেন না। বলুন!’
দ্বিধাগ্রস্ত হৃদয়ে একান্ত হাতে বোনা নীল সোয়েটারের আলতো ভাঁজের উত্তাপ। লায়লা ফারজানার কবিতায় তুষার, নির্জনতা, ভালোবাসা ও কয়েনের স্বপ্নের মায়াময় ছবি। পার্কের শুকনো ফোয়ারায় পড়ে থাকা সেই স্বপ্নের গল্প।