
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন উগ্রমেজাজি ট্রাম্প
কূটনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশৃঙ্খল আচরণের বিপরীতে তেহরানকে শান্ত ও কৌশলগতভাবে এগোতে হবে, এটি তেহরান বিশ্বাস করে।

কূটনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশৃঙ্খল আচরণের বিপরীতে তেহরানকে শান্ত ও কৌশলগতভাবে এগোতে হবে, এটি তেহরান বিশ্বাস করে।

হরমুজ থেকে কাফের—ইরান যুদ্ধের খবরে বারবার আসছে এমন কিছু শব্দ, যেগুলোর পেছনে রয়েছে গভীর ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ইতিহাস।

সহযোগীরা সিচুয়েশন রুম থেকে প্রতি মুহূর্তের হালনাগাদ তথ্য নিচ্ছিলেন ও ট্রাম্পকে তা জানাচ্ছিলেন।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজ জব্দের খবরে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া।

এই যুদ্ধ তেহরানের হাতে নতুন একটি অস্ত্র তুলে দিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আলোচনায় এখন পাকিস্তান।

ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ইরান শনিবার হরমুজ প্রণালিতে গুলি চালিয়ে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে জ্বালানিবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল একরকম বন্ধ করে দেয়।

‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে।

ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

ওয়াশিংটনের প্রতি অনাস্থার বিষয়টি আবার তুলে ধরে ইরানের স্পিকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরান বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।