
জামায়াতের সঙ্গে টানাপোড়নের মধ্যে নতুন জোটের ইঙ্গিত ইসলামী আন্দোলনের
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা যখন জটিলতায়, তখন নতুন জোটের ইঙ্গিত দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা যখন জটিলতায়, তখন নতুন জোটের ইঙ্গিত দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে ‘হ্যাঁ-তে ভোট দিন নিরাপদ বাংলাদেশ বুঝে নিন’ স্লোগানে মাসব্যাপী ঘোষণা করেছে ডাকসু।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা।

প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫ কোটিই তরুণ; নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁদের গুরুত্ব থাকাটাই স্বাভাবিক। সেই গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। কারণ, এর নেতৃত্বে ছিলেন তরুণেরা। দুই মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হার–জিত তরুণ ও নতুন ভোটাররাই নির্ধারণ করে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আজ বুধবার বেলা সোয়া ২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের আওয়ামী শাসনের পতনের পর বাংলাদেশ এখন একটি সংকটময় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়ে আছে।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরুর আগে পিরোজপুরের তিনটি আসনের প্রার্থীরা সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, দলীয় সভা এবং নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে মাঠে সক্রিয় আছেন।

আসন সমঝোতার আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল।

পরবর্তী সরকারের কাছে ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ, সুশাসিত ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা উঠে এসেছে নাগরিক ইশতেহারে।

একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন, এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

আমরা যারা ১৯৭৫ সালের পর জন্মেছি, ‘বুঝদার’ হওয়ার পর থেকে তাদের মাথায় কিছু বাস্তবতা খুব গভীরভাবে গেঁথে ছিল। ছোটবেলায় আমরা বুঝিনি, নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী কেন ধর্মকে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ হিসেবে নিত।