হাম ও উপসর্গে ৫১২ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশে হাম ও এর উপসর্গে ৫১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশে হাম ও এর উপসর্গে ৫১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
হাইকোর্ট হামের টিকা পরিস্থিতির প্রতিবেদন দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন, তদন্ত কমিশন গঠনের রুলও জারি।
সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৭৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যু সাড়ে চার শ ছাড়াল।
মায়ের বুকের দুধ শিশুর শারীরিক-মানসিক বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ এবং বুদ্ধিবৃদ্ধিতে অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে। এটি মায়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং পরিবার-সমাজের জন্যও উপকারী। সবাই মাকে উৎসাহিত করুন শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে।
বডি ডিজমরফিয়া বা বিডিডি নিজের শরীর-চেহারা নিয়ে অতিরিক্ত অসন্তোষের রোগ। এর লক্ষণ, কারণ ও মোকাবিলার উপায় জেনে নিন। মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতন হোন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে দেশে আরও সাত শিশু মারা গেছে, যার ফলে মোট মৃত্যু সংখ্যা ৪৩৯-এ উন্নীত হয়েছে। এ সময়ে ১ হাজার ৩৬৩ শিশুর উপসর্গ দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হামে মৃত ৬০ শিশুর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪০% শিশু হাসপাতালে ভর্তির দুই দিনের মধ্যে মারা গেছে। তিন মাস থেকে আট মাস বয়সী ২৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, টিকা পাওয়ার তথ্য নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস তথ্যে অনেক ঘাটতি রয়েছে বলে জনস্বাস্থ্যবিদরা মন্তব্য করেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে দেশে আরও ৬ শিশু মারা গেছে, যার মধ্যে ঢাকায় ৩ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ৪১৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে। এ সময় ৫০ হাজার ৫০০ শিশুর শরীরে উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
দেশের ছয় জেলায় বিপুল ব্যয়ে নির্মিত কিন্তু অব্যবহৃত ছয়টি হাসপাতাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন এবং ২ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন চান। মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদন এ বিষয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
বাংলাদেশে হামে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর হামে মৃত্যু নিশ্চিত এবং ২০৫ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।