
এ এক অশনিসংকেত
ঢাকার বিভিন্ন স্কুলে একটি সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে যে বিভিন্ন যন্ত্র-পর্দা শিশু-কিশোর-কিশোরীদের গ্রাস করেছে—সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছে যন্ত্রগুলো। এমনটাই আন্দাজ করা গিয়েছিল।

ঢাকার বিভিন্ন স্কুলে একটি সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে যে বিভিন্ন যন্ত্র-পর্দা শিশু-কিশোর-কিশোরীদের গ্রাস করেছে—সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছে যন্ত্রগুলো। এমনটাই আন্দাজ করা গিয়েছিল।

বিশ্বকাপ খেলতে এসে নেকলেস চুরির অভিযোগ—ঘটনাটিতে অনেকেরই ১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ববি মুরের ‘ব্রেসলেট কেসের’ কথা মনে পড়ে।

আজ ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কুয়েতের সেনাবাহিনী এমনটা বলেছে।

ভেদাভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, মুসলমানদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ শেষে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

২৯ বলে ১২ ছক্কায় ৯৭ রান। স্ট্রাইকরেট ৩৩৪.৪৮। কাল নিউ চণ্ডীগড়ে আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে এমন ইনিংস খেলেছেন ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী।

অভিনয়জীবনের স্মরণীয় ঈদগুলোর একটি কেটেছিল ভারতের ওডিশায়। সঠিক সময়টা মনে না থাকলেও নব্বই দশকের মাঝামাঝি, তখন কাজ করছিলাম সন্দীপ রায়ের ‘টার্গেট’ সিনেমায়।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা হলো ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চা।

মকবুল সাহেব হতভম্ব হয়ে গরুর ব্যাপারীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। লোকটা রসিকতা করছে বলে মনে হলো না। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, লোকটা তাঁর সামনেই তাঁর মতো গরু কিনতে আসা আরও দুজনকে ওই একই পরামর্শ দিল।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (পিআইসিইউ) সামনে কথাগুলো বলতে বলতে চোখ টলমল করে উঠছিল মোহাম্মদ ফোরকানের। গতকাল বুধবার দুপুরে পিআইসিইউর সামনে একটি চাঁটাইয়ের ওপর শুয়ে ছিলেন তিনি। পরিচয় দিয়ে কথা বলতেই উঠে বসেন। পিআইসিইউর সামনে তখনো বেশ কয়েকটি চাঁটাইয়ে রোগীর স্বজনেরা রয়েছেন। কেউ বসে, কেউ শুয়ে সময় কাটাচ্ছিলেন তাঁরা।

যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে চুপি চুপি একটি বেফাঁস কথা বলি। ছোটবেলায় কোরবানির ঈদকে আমার রোজার ঈদের মতো মনে হতো না। কারণ ত্রিবিধ।

মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সরকার বলেছে, আমাদের যা দাম আছে সে টাকা দিয়া দিবে, নইলে কুরবানীর জন্য গরু দিয়া দিবে।’

ঈদুল আজহার আগের দিন মুসলমানদের সামনে মূল প্রশ্নটি হলো—তাঁরা কোনো ধরনের তল্লাশি, সংঘাত বা জনসাধারণের বৈরী আচরণের মুখোমুখি না হয়ে শান্তিতে নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না।