
ক্রীড়া সংগঠক এম এ লতিফ আর নেই
মৃত্যুকালে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতি। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতি। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

সামাজিক পরিসরে ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে চলেছেন অধ্যাপক ডা. পারভীন শাহিদা আখতার। তিনি শান্তি ক্যানসার ফাউন্ডেশনের সভাপতি।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচন ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের বদল এসেছে। বিএনপির আসন সমঝোতার প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও ইউপি সদস্য অরবিন্দ দত্তসহ দেড় শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

খুলনা বিভাগে বিএনপির একমাত্র নারী প্রার্থী সাবিরা সুলতানার নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা সুলতানা। প্রতিটি সভায় যোগ দিয়ে তিনি নারীদের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। দলটি এখানে সমর্থন দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে।

দিনভর আড়াইহাজারের মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার চালিয়ে গাড়িতে করে ফিরছিলেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমির হোসেন ও যুবদল নেতা সাদেকুর রহমান।

জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তাহসিনা রুশদীর।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে

ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন ছাত্রদলের সাবেক পাঁচজন সভাপতি ও দুজন সাধারণ সম্পাদক।

বাগেরহাট-৪ আসনে নতুন মুখ হিসেবে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের সভাপতি সোম নাথ দে। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দী জামায়াতের মো. আবদুল আলীম ও বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সদস্য কাজি খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ)।

জামায়াতে ইসলামীর হয়ে ভোট করছেন ১৬ জন। অন্য দুটি দলের প্রার্থী দুজন। মোট ১৮ জনের সবাই শিবিরের সভাপতি বা সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন।