আইসিসির চাকরি ছেড়ে বিসিবি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আমিনুল। প্রথমে এনএসসি মনোনীত পরিচালক হন এবং পরে ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে পরিচালক নির্বাচিত হন। দুই মেয়াদে ১০ মাসের এই দায়িত্ব গত মঙ্গলবার শেষ হয় এনএসি তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর।
এর মধ্যে তাঁর কাছে একটি চাকরির প্রস্তাব আসে। মুক্তকণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমিনুল জানান, প্রভাবশালী দুটি দেশের ভেটোয় এসিসির সেই চাকরিটি হয়নি। তিনি বলেন, “একটা বড় চাকরির সুযোগ এসেছিল এসসিসিতে। কিন্তু দুটো বড় বড় দেশ সেখানে ভেটো দিয়েছে। সেটা আর হয়তো হবে না।”
আপাতত একটি গবেষণা দলের সঙ্গে কাজ করছেন জানিয়ে বিসিবির সাবেক সভাপতি বলেন, “আমি এখন আপাতত হয়তো একটা গবেষণা দলে কাজ করব। হায়ার কনশাসনেস নিয়ে, মাইন্ডফুলনেস ইন ক্রিকেট নিয়ে গবেষণায় ঢুকব।”
২৫ বছর খেলোয়াড়ি জীবন এবং ২০ বছর এসিসি ও আইসিসির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন আমিনুল। তিনি জানান, এখন গবেষণার পাশাপাশি বই লিখে সময় কাটাতে চান। তাঁর বইয়ে বিসিবি সভাপতির দায়িত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় একটি অধ্যায় থাকবে।
বাকি সময় পরিবারকে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “অনেক তো কাজ করলাম, দেখি না এখন আল্লাহ নিশ্চয়ই ভালো কিছু লিখেছে। আমি রিজিকের ওপর ভরসা রাখি। গবেষণা করব, বই লিখব, সেখানে হয়তো এই অধ্যায়টাও বড় করে থাকবে। ক্রিকেটের জন্য যাঁদের ডিপ্রাইভ করেছি এত দিন, সেই পরিবারের কাছে ফিরে যাব।”
গত ১০ মাসে দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো কিছু করেছেন বলে মনে করেন আমিনুল। আপাতত বাংলাদেশেই আছেন তিনি, তবে কয়েক দিনের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন। এরপর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাববেন বলে জানিয়েছেন।
‘আমার কাছে মনে হচ্ছিল দেশটা বদলে গেছে’—সাক্ষাৎকারে বললেন আমিনুল





