
লাতিন আমেরিকার সাহিত্যদৃষ্টিতে শহীদুল জহির
কয়েক বছর পরে লাতিন আমেরিকায় এসে আমি আবার পাঠের জগতে ফিরি। এখানে এসে আমি সাহিত্যের নতুন ভূগোল আবিষ্কার করি।

কয়েক বছর পরে লাতিন আমেরিকায় এসে আমি আবার পাঠের জগতে ফিরি। এখানে এসে আমি সাহিত্যের নতুন ভূগোল আবিষ্কার করি।

গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে পাঠকদের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় ছিল স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ সংকলন এবং সাহিত্যিক ফিকশন।

পারস্য সাহিত্যের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো নসিহতমূলক চরিত্র। ফারসি কাব্য ও গদ্যে নৈতিকতা, সামাজিক ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন সমাজে অত্যন্ত গভীর প্রভাব ফেলেছে।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই বছর তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিজন বিজয়ী পেয়েছেন পূর্বঘোষিত ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় বাবুডাইং আলোর পাঠশালায় ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এসময় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়ার জন্য একটি করে বই তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বই পড়ার জন্য কার্ডও দেওয়া হয়।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন সুহৃদসভার সভাপতি বিশ্বপরিব্রাজক ও নিসর্গবিদ ইনাম আল হক। দেশের প্রথিতযশা ভ্রমণলেখক, পর্বতারোহী, নিসর্গপ্রেমীরা এতে যোগ দেন এতে।

প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি-সাহিত্যকে যত্নের সঙ্গেই লালন-পালন করতে হবে। বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রচার ও তার প্রসার ঘটাতে প্রবাসী সব বাঙালিকে নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। তাদেরই ভেবে বের করতে হবে যথাসম্ভব নতুন উপায়।

অস্তিত্ববাদের সূচনা হয় ১৯২০-এর দশকে জার্মানিতে। এটা বিংশ শতাব্দীর পাশ্চাত্য দর্শনের অন্যতম প্রধান ধারা এবং আজও পশ্চিমা পুঁজিবাদী মতাদর্শে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। অস্তিত্ববাদী দর্শনের ইতিহাসে জঁ পল সার্ত্র (১৯০৫–১৯৮০) একটি উল্লেখযোগ্য নাম। তাঁর অস্তিত্ববাদী দর্শন মানুষের ইচ্ছাশক্তি অনুসন্ধান করে এবং মানব স্বাধীনতাকে কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করে। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের অস্তিত্ব তার সত্তার পূর্বে আসে। অস্তিত্ববাদকে তিনি মানবতাবাদ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন, যা আজও বাস্তবিক অর্থে গুরুত্ব বহন করে।


