
‘কিন্তু আমি যে জুলাইবিবকে খুঁজছি’
ইসলামে মানুষের মর্যাদা তাকওয়া দ্বারা বিচার হয়, বংশ বা রূপ নয়। সাহাবি জুলাইবিব (রা.)-এর ঘটনা এর উজ্জ্বল উদাহরণ। কোরআন ও হাদিস থেকে সাম্যের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ইসলামে মানুষের মর্যাদা তাকওয়া দ্বারা বিচার হয়, বংশ বা রূপ নয়। সাহাবি জুলাইবিব (রা.)-এর ঘটনা এর উজ্জ্বল উদাহরণ। কোরআন ও হাদিস থেকে সাম্যের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

হজরত আয়েশা (রা.) নিজ হাতে ঘরের কাজ করতেন এবং নবীজির যত্ন নিতেন অত্যন্ত নিবেদনের সাথে। তাঁর অতিথিপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বর্তমান সমাজের জন্য অনুকরণীয়। হাদিসের উল্লেখসহ তাঁর জীবনের এই দিকগুলো বর্ণিত হয়েছে।

ইসলামে অবৈধ সম্পদ থেকে দায়মুক্তির উপায় কী যদি মালিক খুঁজে না পাওয়া যায়? ফকিহদের তিন মতামত এবং সাহাবির উদাহরণসহ ব্যাখ্যা। আলেমদের পরামর্শ অনুসরণ করে তওবা সম্পূর্ণ করা যায়।

হজরত ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় নবীজি (সা.)-এর মজলিসে মানুষের রূপে জিবরাইল (আ.)-এর আগমন ঘটে। তিনি ইসলাম, ইমান, ইহসান এবং কিয়ামতের লক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। এই হাদিস দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রকাশ করে।

ইসলাম প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহজতা ও সম্মানের বিধান নির্ধারণ করেছে। কুরআন-হাদিসে তাদের ধৈর্যের বিনিময়ে আল্লাহর দয়া, ক্ষমা ও জান্নাতের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। নবী (সা.)-এর জীবনীতে প্রতিবন্ধী সাহাবিদের উচ্চ মর্যাদার নজির উল্লেখযোগ্য।

রমজানের পর ইমানের সজীবতা হারিয়ে যায় না যেন, সেজন্য ৮টি ব্যবহারিক উপায়। সাহাবিদের অনুসরণ করে সারা বছর রমজানের আবহ বজায় রাখুন। হাদিস-আয়াতভিত্তিক পরামর্শে ইবাদতের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করুন।

রমজানের পর ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক দৃঢ়তা জরুরি। এখানে ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে, যা কোরআন, হাদিস ও সাহাবিদের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। এগুলো অনুসরণ করলে সারা বছর আধ্যাত্মিক আমেজ বজায় থাকবে।

উম্মে সালামা (রা.) কেবল ধর্মীয় বিধানের সমাধানই দিতেন না, সাহাবিরা কোরআনের সঠিক তেলাওয়াতও তাঁর কাছ থেকে শিখতেন। বিভিন্ন মতবিরোধ মীমাংসায় তাঁর প্রজ্ঞাময় ফতোয়া সাহাবিদের নির্ভরযোগ্য পথনির্দেশক ছিল। হাদিসগুলোতে তাঁর ফকিহা ও শিক্ষকতার চমৎকার দৃষ্টান্ত সংরক্ষিত রয়েছে।

যুদ্ধের ময়দানে পারসিকরা রাস্তায় লোহার কাঁটা বিছিয়ে দিয়েছিল। সেনাপতি নুমান (রা.) সুকৌশলে সৈন্যদের পিছিয়ে যাওয়ার ভান করতে বললেন। পারসিকরা মনে করল মুসলিমরা পালাচ্ছে।

উম্মে সালামার বিশেষত্ব এখানেই। তিনি তাঁর প্রতিজন দাসী-বাঁদিকে কোরআন-সুন্নাহর দীক্ষায়ও দীক্ষিত করে তোলেন পূর্ণরূপে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতোই তাদের শিক্ষা আঞ্জাম দিতে থাকেন।

এই ভালোবাসা কখনো প্রকাশ পেয়েছে মমতাময় আচরণে, কখনো স্নেহমাখা কথায়, আবার কখনো তাঁর প্রতি বিশেষ যত্ন ও গুরুত্ব প্রদানের মাধ্যমে।

দামেস্কে খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে সুলতানের প্রতিনিধি সব দরিদ্র মানুষকে সামর্থ্যবান আমির ও বিচারকদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন, যাতে কেউ অভুক্ত না থাকে।