
অকটেনের সরবরাহ বাড়ায় চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনে কমেছে ভিড়
চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকার বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে চোখে পড়ল ভিন্ন দৃশ্য। মোটরসাইকেল মাত্র দুটি। তেল নিয়ে মুহূর্তেই বেরিয়ে গেল সেগুলো। নেই কোনো সারি, নেই ভোগান্তি।

চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকার বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে চোখে পড়ল ভিন্ন দৃশ্য। মোটরসাইকেল মাত্র দুটি। তেল নিয়ে মুহূর্তেই বেরিয়ে গেল সেগুলো। নেই কোনো সারি, নেই ভোগান্তি।

এখন দ্রুতই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে তারিখ লেখা ১৭ এপ্রিল। তবে চিঠিটি ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় দুই জেলাতেই লোডশেডিং বেড়েছে। এতে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কৃষিতে সেচসংকট তৈরি হয়েছে।

বিপিসির তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে অকটেনের কোনো ঘাটতি নেই।

তেলসংকটের প্রভাব বাজারে পড়ার কথা নয়। ফলে বাজারে অস্থিরতার কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করাকে।

রোববার থেকে বাড়তে পারে অকটেন সরবরাহ

বৈশ্বিক বাজারে জেট ফুয়েলের সবচেয়ে বড় উৎস উপসাগরীয় অঞ্চল

বিপিসির তথ্য বলছে, গত বছরের মার্চে প্রতিদিন গড়ে অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে ১ হাজার ১৯৩ টন।

গত বছরের একই সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

অকটেনের মজুত বাড়ছে, কমেছে সরবরাহ, ভোগান্তি