পুড়িয়ে দেওয়া এক ভবনের ‘আলো’ ও হিটলারের বই পোড়ানোর গল্প
সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠ অফিসের অগ্নিদগ্ধ ভবনে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠ অফিসের অগ্নিদগ্ধ ভবনে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ শুরু হয়েছে।
মুক্তকণ্ঠের অগ্নিদগ্ধ ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি শিল্পকর্ম নিয়ে আয়োজিত ‘আলো’ প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
মুক্তকণ্ঠের আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবনে গতকাল বুধবার শুরু হলো শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’।
মুক্তকণ্ঠ ভবনে গত ১৮ ডিসেম্বর একদল উগ্রবাদী হামলা করে লুটপাট চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। দগ্ধ ভবনটি নিয়ে ‘আলো’ নামে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।
এই প্রদর্শনীতে পিতা নোমান ও তাঁর কন্যা ইজমার মোট ২৬টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে।
জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনকক্ষে নভেরা আহমেদের ভাস্কর্য, চিত্রকর্ম, আলোকচিত্র ও জীবনপঞ্জি নিয়ে প্রদর্শনী—যা চলবে ২১ জুলাই পর্যন্ত।
শিল্পের ইতিহাসে শরীর কেবল জৈবিক উপস্থিতি নয়, বরং স্মৃতির ধারক ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্র। বুবলী বর্ণার সাম্প্রতিক শিল্পচর্চায় মাতৃত্বের মাধ্যমে শরীরের পরিবর্তন, পরিচয়ের রূপান্তর এবং অদৃশ্য শ্রমের প্রশ্নগুলো উঠে এসেছে।
নৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের কারণেও, কেউ কেউ শহীদুল জহিরের লেখ্যশিল্পকর্মের প্রাপ্য মান্যতা দিতে নারাজ। অথচ, সময়ের অগ্রসর পাঠক ক্রমশ শহীদুল জহিরের আখ্যানে বুঁদ হয়ে উঠছেন। অনূদিত শহীদুল জহির বহির্বিশ্বের অন্য ভাষার পাঠকের মুখোমুখি ছড়িয়ে পড়ছেন তাঁর রচনার শক্তিতেই। বাংলা ভাষায় শহীদুল জহিরের চেয়ে শক্তিশালী লেখক এই মুহূর্তে হাজির করতে পারবে কেউ বা হরেদরে গল্প-উপন্যাস লিখিয়েরাও কেউ কি শহীদুল জহিরের মতো গদ্যভাষাকে নিজের আয়ত্বে এনে ব্যবহার করতে পারার ক্ষমতায় পৌঁছেছেন? পারলে এটা পেরেই দেখাতে হবে। বয়ানের মহাজনী ও যুগপত ফাঁপা বাগাড়ম্বর নয়, এটা করে দেখাবার, লিখে দেখাবার প্রশ্ন। বাংলা ভাষায়, সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির—এই বাক্যকে অস্বীকার করবেন, এমন কী আছে কার ঝুলিতে?
শিল্পকর্মকে পণ্য হিসেবে মনিটাইজের প্রয়োজনীয়তা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পণ্য ব্র্যান্ডিং ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
একটি আইনসম্মত ও সনদপ্রাপ্ত শিল্পকর্মের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে সেখানে সুকৌশলে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক আবেগকে ব্যবহার করা হয়েছে।
গুলশান ক্লাবের ক্রিস্টাল প্যালেস হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের উদীয়মান ও স্বনামধন্য নারী শিল্পীদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে তাঁদের সৃজনশীল অবদানকে উদ্যাপন করা হয়।
ইফ্ফাত আরা দেওয়ানের ১৯৯৭ সালের ‘অপরাজিতা’ চিত্রকে কেন্দ্র করে শিল্পাঙ্গনের আয়োজনে গ্যালারি দ্য ইলিউশনসে চলছে প্রদর্শনী। ১৯৯৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অঙ্কিত শিল্পকর্মগুলোতে সরলতা, শূন্যতা ও অন্তর্মুখী অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে। প্রদর্শনী ১ মে থেকে ১৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত খোলা।