
ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী
ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী

ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী

প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীনের রাজধানী বেইজিং সফর করেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর কূটনৈতিক নয়; বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রতীক।

‘বিশ্ব আবারও এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে।’ বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ কথা বলেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। এরপর সি প্রশ্ন তোলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি তথাকথিত “থুসিডাইডিস ফাঁদ” অতিক্রম করে বৃহৎ শক্তিগুলোর সম্পর্কের নতুন এক ধারা তৈরি করতে পারবে?’

ট্রাম্প-সি বৈঠক শেষে তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ সফরকে সফল বললেও বিস্তারিত সমঝোতার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।

বেইজিংয়ে সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে প্রাচীন গ্রিসের পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধ ও থুসিডাইডিসের ফাঁদ নিয়ে আলোচনা হয়।

বেইজিং বৈঠকে সি চিন পিং ট্রাম্পকে ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’ নিয়ে সতর্ক করেন, যা উদীয়মান ও প্রতিষ্ঠিত শক্তির মধ্যে যুদ্ধের ঝুঁকি নির্দেশ করে। তাইওয়ান ইস্যুতে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তিনি সংঘাতের আশঙ্কা তুলে ধরেন। ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির কথা বলেন।

সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দুই দেশের ‘অনেক ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার’ সমাধান করা হয়েছে। তবে সংবেদনশীল ইস্যুগুলোতে সুনির্দিষ্ট চুক্তি হয়নি।

চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফর করেছেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। চীন তাঁকে নতুন চীনা নাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনা এখন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ঐতিহাসিক সফরে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক হয়েছে ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’–এ।

বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠতে পারে। ট্রাম্প বাণিজ্য নেতাদের সঙ্গে চীনে গেছেন।

সিডনিতে বৈঠকি গানে মুগ্ধ হলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা লুইপা ও মেজবা বাপ্পীর কণ্ঠে। অপেরা হাউস থেকে হারবার ব্রিজ ঘুরে স্মৃতি তৈরি করলেন দুই শিল্পী। চিকিৎসকদের আয়োজনে গানের এই সফর হয়ে উঠল আবেগের মেলা।