
‘ব্ল্যাক রাইসের’ সঙ্গে ডুবে গেছে দুই বন্ধুর স্বপ্নও
দুই বন্ধু জানান, এবার মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ কালো ধানের বিক্রয়মূল্য আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

দুই বন্ধু জানান, এবার মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ কালো ধানের বিক্রয়মূল্য আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সুনামগঞ্জের হাওরে ফসল হারিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বর্গা চাষিরা। তাঁরা জমির ধান গোলায়ও তুলতে পারেননি, আবার ধারদেনা শোধ করারও এখন আর কোনো উপায় নেই।

হাওরের ফসল রক্ষায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব (দুলু)।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের অন্তেহরি গ্রামের চিত্র সবচেয়ে বেশি খারাপ। পাকা ধানের খেত পানির নিচে, কেটে আনা ধানও রোদ না থাকায় শুকানো যায়নি।

সরকারি হিসাবে অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে জুড়ী উপজেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে।

অপারেটর গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নলকূপের আওতাভুক্ত জমিতে বোরো ধান চাষের জন্য পানি না দিয়ে মাছ চাষের জন্য পুকুরে পানি দিচ্ছিলেন।

হবিগঞ্জের হাওরে বৃষ্টির পানিতে জমিতে কেটে রাখা ধানের স্তূপে পচন ধরেছে। একই কারণে মাড়াই করা ধানও শুকানো যাচ্ছে না।

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আগাম বন্যায় তলিয়েছে বোরো ধান। নৌকা আর কোমরসমান পানিতে নেমে অন্তত পরিবারের খাবার জোগাড়ে শেষ চেষ্টা করছেন কৃষকেরা।

সুনামগঞ্জে এবার মার্চের মাঝামাঝি থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হয় অতিবৃষ্টি, নামে উজানের পাহাড়ি ঢল।

শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় কয়েক শ কৃষক হাতির ফসল নষ্ট করার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

সরকারি হিসাবে হাওরে ৬২ শতাংশ খেতের ধান কাটা হয়েছে। আর অতিবৃষ্টিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১৩ হাজার ৪৬৬ হেক্টর জমির ধান।

‘জমির ধান গেল পানিতে, এখন খলার (কাটার পর স্তূপ করে রাখা) ধান নষ্ট অইযায় রইদের ( রোদ) অভাবে।’