বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবার লাগামছাড়া হওয়ার শঙ্কা
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, তেলের মজুত কমে যাওয়া ও চীনের বাড়তি আমদানি—সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন রেকর্ডের শঙ্কায়।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, তেলের মজুত কমে যাওয়া ও চীনের বাড়তি আমদানি—সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন রেকর্ডের শঙ্কায়।
হরমুজ প্রণালিতে সামরিক উত্তেজনা স্থগিত হওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে; একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে।
আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শর্ত সাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির খবরে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৫.৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারের কাছাকাছি নামে। শেয়ারবাজারে সূচক উর্ধ্বমুখী হয়েছে। হরমুজ প্রণালি খোলার খবরও এসেছে।
চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর গত কয়েক দিনে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে জ্বালানিবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল একরকম বন্ধ করে দেয়।
বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
জুন মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর জুলাই ও আগস্টে তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল; আগামী মাসেও ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম একই থাকছে।
ইরান যুদ্ধের পর তেলের দাম প্রত্যাশার চেয়ে কম বাড়ার পেছনে চীনের চাহিদা হ্রাস, যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন বৃদ্ধি, ট্রাম্পের মন্তব্য, হরমুজের বিকল্প পথ এবং পর্যাপ্ত তাৎক্ষণিক সরবরাহের মতো কারণগুলো কাজ করেছে।
ছয় বছর আগে করোনা মহামারির পর এক সপ্তাহে তেলের দামের এত বড় উল্লম্ফন আর দেখা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমলেও চলতি মাসে সামগ্রিকভাবে অপরিশোধিত তেলের দর প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির ধারায় রয়েছে।