চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন: পরিকল্পনায় তাড়াহুড়া, তিন বছরের কাজ ১১ বছরে গড়াচ্ছে
৯ বছর পার হলেও নানা জটিলতার পুরোপুরি সমাধান হয়নি। শেষ মুহূর্তে এসে প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়াতে হচ্ছে।
৯ বছর পার হলেও নানা জটিলতার পুরোপুরি সমাধান হয়নি। শেষ মুহূর্তে এসে প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়াতে হচ্ছে।
কুমিল্লা নগরে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে খোলা নালায় পড়ে স্মৃতি আক্তার (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে নগরের ছোটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জামালপুর শহরের শেখেরভিটা এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী তিন শতাধিক পরিবার। চরম দুর্ভোগের প্রতিবাদে ও সমাধানের দাবিতে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
খুলনা নগরে ২৯৮টি জলাশয় ছিল। এর মধ্যে ৮০টির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ২৭টি জলাশয় আংশিক ভরাট হয়েছে। বাকিগুলো নাজুক হলেও কোনোমতে টিকে আছে।
ববিতা রানী জানান, বর্ষা মৌসুমে পানি যাওয়ার পথ না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে, বিশেষ করে মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে পুকুরের পানিও থাকে না।
ভবদহ অঞ্চলে প্রায় ২৬৮ কোটি টাকার দুটি প্রকল্পের কাজ চলছে। সাগর থেকে আসা পলি ব্যবস্থাপনার জন্য আরও ২৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ এ বছরই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতার সমাধান হবে। এখানে আর স্থায়ী জলাবদ্ধতা হবে না।
যশোরের ভবদহে জলাবদ্ধতা নিরসনে আমডাঙ্গা খালের পলি ও কচুরিপানা অপসারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রম কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মালোপাড়া গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে থেকে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। এতে চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যও চরম হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের
প্রতি বর্ষায় দুই-তিন ঘণ্টা টানা বৃষ্টি নামলেই যশোর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো জলাশয়ে রূপ নেয়। দোকানপাটে পানি ঢুকে ব্যবসায়ীদের লোকসান, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আর অফিসগামী মানুষের কোমরসমান পানি পেরিয়ে পথচলা এখন নিত্যদিনের দৃশ্য। অথচ, জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলে
টিআরএম বাস্তবায়ন এবং নদী-খাল পুনঃখননের দাবিতে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ভবদহের হাজারো ভুক্তভোগী।