জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির কফিন মিছিল
জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করেছেন যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে, তবে শহীদ ও গণমানুষের ত্যাগের কারণে তা সম্ভব নয়।
শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ কর্মসূচি। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঠেকানোর ঘোষণাও দেন সংগঠনটির নেতারা।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকটে পড়তে পারে।
জুলাই গণহত্যার বিচারে ধীরগতি দেখছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এই ধীরগতি কেন, তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এটি নির্মিত হয়েছে ১৯৭১ সালে গোলাহাটিতে বিহারি ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত ৪৫০ জন হিন্দু ও মাড়োয়ারির স্মরণে; কিন্তু স্মৃতিস্তম্ভটি এখনো অসমাপ্ত। এর মতোই অসমাপ্ত এই গণহত্যার স্বীকৃতি।
ইসরায়েলি সমাজের ভেতরে বিপজ্জনক কিছু ঘটছে, যার পরিণতি পুরো অঞ্চলের জন্যই গুরুতর হতে পারে। গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি সমাজ সচেতনভাবেই প্রতিশোধকেন্দ্রিক এক সহিংস বয়ানের ব্যাপক ঐকমত্য গড়ে তুলেছে—যে ভাষ্য শুধু ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নয়, বরং এ অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধকে উৎসাহিত করে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার পলাতক আসামির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ যুক্তিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রসিকিউশন পক্ষ প্রথম দিন যুক্তি তুলে ধরেছে, মঙ্গলবারও এটি চলবে। মামলায় ছয়জন হত্যাসহ তিনটি অভিযোগ রয়েছে।
শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে নিহতদের রাষ্ট্রীয় শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আখতার হোসেন।
বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেন অজস্র বিদেশি লেখক-শিল্পী। লেখাটি তাঁদের নিয়েই।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কবে এসেছিল আপনাদের গ্রামে? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ তারিখ বলতে পারে না।