গ্যাসের অভাবে শতাধিক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে প্রায় এক মাস ধরে গ্যাসের বেশি সরবরাহ–সংকট রয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে এই সংকট তীব্র হয়েছে।
শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে প্রায় এক মাস ধরে গ্যাসের বেশি সরবরাহ–সংকট রয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে এই সংকট তীব্র হয়েছে।
গ্যাস–সংকটের প্রভাবে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর বিভিন্ন শিল্পে উৎপাদন কমেছে; কয়েকটি কারখানায় ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি উঠেছে।
বিগত স্বৈরাচারি সরকারের আমলে ধ্বংস হওয়া দেশের শিল্প খাত পুনর্গঠনে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়েছে। অ্যামোনিয়া–সংকটে গতকাল শনিবার রাত আটটায় কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই কারখানা অবস্থিত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙাদিয়া এলাকায়।
বন্ধ সরকারি বস্ত্র ও পাটকল চালু করেছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। এখানে উৎপাদিত ব্যাগ ও জুতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের রপ্তানি হচ্ছে।
তৈরি পোশাকশিল্প মালিকেরা বলছেন, ক্রয়াদেশ কম থাকায় শ্রমিক ছাঁটাই বাড়ছে। নতুন নিয়োগও প্রায় বন্ধ রয়েছে। আবার ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণেও আর্থিক সংকটে পড়ে কারখানা বন্ধ হচ্ছে।
ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছে পাবনার ঐতিহ্যবাহী শিল্পটি। বন্ধ হচ্ছে কারখানা, বেকার হচ্ছেন শ্রমিক, ঋণের চাপ, বাড়ছে লোকসান।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে ডিবিএল গ্রুপসহ একাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিজিএমইএ।
অর্থনীতি চাঙা করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ কারখানা ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ডাস্ট কারখানায় ছাদ মেরামতের সময় হঠাৎ বিকট শব্দের ধাক্কায় দুই শ্রমিক নিহত। পুলিশ কারখানা বন্ধ করে তদন্ত শুরু করেছে। নিহতদের লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়ায় সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন ও ঈদের বোনাস প্রদান, বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়াসহ পাঁচটি দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধনের হারও নিম্নমুখী। আবার অনেক ছোট-মাঝারি ও বড় কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে লাখ লাখ মানুষ কাজ হারিয়েছেন।