ইরানের টোল: হরমুজে আটকে হাজারো জাহাজ
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে জটিল পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
ইরান এবং তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের ধৈর্য ও কূটনৈতিক কৌশলের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যখন তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন বিশ্ব প্রথম বড় জ্বালানি–সংকটের মুখোমুখি হয়।
ইরান যুদ্ধ ও বিশ্বমন্দার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজার থমকে গেছে। নিয়োগ কমে গেছে, ছাঁটাইও নেই, ফলে নতুন চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ কমে গেছে। বাংলাদেশেও এই সংকটের ছায়া পড়ছে।
নতুন এ সহায়তা প্যাকেজের পরিমাণ বা শর্ত সম্পর্কে কোনো পক্ষই এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
ইরান হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশের ছয়টি জ্বালানিবাহী জাহাজকে। এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা চার লাখ টনের মুখে নতুন উৎস থেকে বাড়তি আমদানির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, কোনো সংকট হবে না।
কাতার ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার কথা ভাবছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে।
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বের মধ্যে নতুন আলোচনার পথ ও বিকল্প উদ্যোগ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ এবং ওমানের প্রস্তাব।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তৈরি হওয়া তেলসংকট জীবাশ্ম জ্বালানিশিল্পকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।