
শিক্ষা আইনটি কেন দরকার
শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বাজারে এসেছে লেখক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমানের নতুন বই ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’।

এবার জানকবুল প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আমাদের ব্যর্থতা আর আশা হারানোর কথা লিখব না। পজিটিভ হয়ে যাব রম্য লেখক শিবরাম চক্রবর্তীর মতো। মৃত্যুশয্যাতেও ডাক্তারের প্রশ্নের জবাবে বলতে শিখব ‘ফার্স্ট ক্লাস আছি’।

জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রচারণা শুরু করেছে। এখন ভোটের রাজনীতি কেবল শহরের টক শো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়।

মধ্য মাঘের শীতলতাকে ছাড়িয়ে এখন উষ্ণতা ছড়াচ্ছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শুরু থেকেই কী এক অজ্ঞাত কারণে এই নির্বাচন আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি ছিল জনমনে।

‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।

লেখক ও গবেষক ঈশিতা দস্তিদার বলেন, ড্যানিয়েল স্টোন লিংডোর কাজ আমাদের তাড়িত করে নিজেদের ইতিহাসকে লেখার মধ্য দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে।

আমি বীরাঙ্গনা বলছি বইটিতে লেখক এমন সাতজন বীরাঙ্গনার গল্প তুলে ধরেছেন, যাঁদের ত্যাগের বিনিময়েই আমাদের এই স্বাধীনতা।

০ ২ ১ ৬

পবিত্র রমজান মাস এলেই আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কপালে উদ্বেগের ভাঁজ পড়ে।

দেশে বহু বছর পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তবে দেশের অতীতের অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বেশি।

দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।